fbpx
বগুড়া জেলার সংবাদবগুড়া সদর

করোনায় প্রতিটি কেন্দ্রে থাকবে বিশেষ স্বাস্থ্যসুরক্ষা ব্যবস্থা || বগুড়ায় ৫ লক্ষ শিশু খাবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস, ৫ জুন থেকে শুরু হচ্ছে ১৪ দিনের ক্যাম্পেইন

সঞ্জু রায়, বগুড়া : করোনা দুর্যোগের মাঝেই সকল প্রতিবন্ধকতাকে উপেক্ষা করে বগুড়ায় মোট ২ হাজার ৭’শ ৮৬টি কেন্দ্রে মোট ৪ লক্ষ ৯৬ হাজার ৯০৪ জন শিশুকে শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কার্যক্রম শুরু হচ্ছে ৫ই জুন থেকে, যা চলবে টানা ১৪ দিন আগামী ১৯শে জুন ২০২১ইং পর্যন্ত। তবে করোনাভাইরাসের কারণে প্রতিটি কেন্দ্রে থাকবে বিশেষ স্বাস্থ্য-সুরক্ষা ব্যবস্থা বলে জানিয়েছে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়।
সিভিল সার্জন অফিস বগুড়ার আয়োজনে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২.৩০ টায় অফিসের সভা কক্ষে উক্ত ক্যাম্পেইন এর বিষয়ে সাংবাদিকদের ওরিয়েন্টেশন কর্মশালায় এসব তথ্য দেন জেলা সিভিল সার্জন ডা: গওসুল আজিম চৌধুরী এবং বগুড়া সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: সামির হোসেন মিশু। সাংবাদিকদের মাধ্যমে তারা সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, ভিটামিন ‘এ’ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতেও সহায়ক যাতে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হওয়ারও ঝুঁকি কমে যাবে। তাই করোনার মাঝেও জাতীয় পুষ্টি সেবা, জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নে বগুড়ায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী প্রায় ৫৭ হাজার ৪’শ ৩৪ জন শিশু এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ৪ লক্ষ ৩৯ হাজার ৪’শ ৭০ জন শিশুকে একটি করে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
করোনার জন্যে পরিকল্পিত বিশেষ সুরক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে কর্মশালায় স্বাস্থ্যবিভাগের পক্ষে আরো জানানো হয়, প্রতিটি কেন্দ্রে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা হবে এবং ক্যাপসুল খাওয়ানোর ক্ষেত্রেও নেয়া হবে বিশেষ সুরক্ষা ব্যবস্থা যা ইতিমধ্যেই সেচ্ছাসেবীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে সাথে সাথেই থাকবে পর্যাপ্ত মাস্কের ব্যবস্থা। তবে কোন অভিভাবক যদি সেচ্ছাসেবীদের হাত থেকে তার শিশুকে ভিটামিন ক্যাপসুল না খাওয়াতে চান অভিভাবক কেন্দ্রে নিজেই তার শিশুকে ভিটামিন ক্যাপসুল খাওয়াতে পারবে। সেই সাথে সিভিল সার্জন বিশেষভাবে বলেন, কোন শিশু যদি কোভিড-১৯ পজিটিভও হয় তারপরেও তাকে উক্ত ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়াতে হবে যদি সে গুরুতর অসুস্থ না হয়ে থাকে বা তার শ^াসকষ্ট না থাকে। এছাড়াও জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষে আরো জানানো হয়, এইবছর যারা এই কার্যক্রমে যুক্ত থাকবে তাদের সকলের কোভিড-১৯ টেস্ট করানো হবে তাই সেচ্ছাসেবীদের মাধ্যমে এই সেবা প্রদানে কোন ঝুঁকি থাকবে না সেই সাথে প্রতিটি কেন্দ্রে থাকবে ওয়ান ওয়ে যাতায়াত ব্যবস্থা। দেশের এই ক্রান্তিকালে সুষ্ঠুভাবে উক্ত ১৪ দিনের ক্যাম্পেইন সফল করার লক্ষ্যে জেলা স্বাস্থ্যবিভাগের পক্ষে সাধারণ জনগণের সচেতনতার সহিত আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। কর্মশালায় এসময় স্বাস্থ্যবিভাগের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা: সাজ্জাদুর রহমান, হেলথ এ্যাডুকেশন অফিসার মাহবুবা খাতুন প্রমুখ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

5 × four =

Back to top button
Close