বগুড়া জেলার সংবাদশেরপুর

শেরপুরে দেশী মুরগীর খামার থেকে রেণডমলি নমুনা সংগ্রহ করেন- এফডিআইএল

বগুড়া সংবাদ ডটকম ( শেরপুর প্রতিনিধি কামাল আহমেদ) : বগুড়ার শেরপুরে গড়ে উঠা দেশী মুরগীর খামার থেকে রেনডমলি নমুনা সংগ্রহ করতে আঞ্চলিক প্রাণিরোগ অনুসন্ধান গবেষণার এফডিআইএল জয়পুরহাটের একটি প্রতিনিধি শেরপুর উপজেলার বিভিন্ন খামার ঘুরে এই রেনডমলি নমুনা সংগ্রহ করে। জানাযায়, মঙ্গলবার ৮ অক্টেবর বিকেলে শেরপুর উপজেলার ধড়মোকাম এলাকা থেকে স্বপ্ন ছোঁয়ার সিঁড়ি বাণিজ্যিক ভিত্তিক দেশি মুরগির (অরগানিক) বিভিন্ন খামার থেকে রেণডমলি নমুনা সংগ্রহ করেন আঞ্চলিক প্রাণিরোগ অনুসন্ধান গবেষণার এফডিআইএল জয়পুরহাটের একটি প্রতিনিধি দল। বৃহস্পতিবার ১০ অক্টেবর আঞ্চলিক প্রাণিরোগ অনুসন্ধান গবেষণার এফডিআইএল জয়পুরহাটের গবেষণার প্রতিনিধি দলটির প্রধান জয়পুরহাট ইউএলও ডা.মো.রুস্তম আলী জানান, শেরপুর উপজেলায় স্বপ্ন ছোঁয়ার সিঁড়ি বাণিজ্যিক ভিত্তিক দেশি মুরগির (অরগানিক) বিভিন্ন খামার থেকে যে রেণডমলি নমুনা সংগ্রহ করেছি আমরা সেই নমুনা থেকে বিভিন্ন সেরলজিকাল পরীক্ষা করছি, সেখানে এখন পর্যন্ত কোন প্রকার এন্টিবায়োটিক এর রেসিসটেন্স পাওয়া যাইনি। মুরগিতে এন্টিবায়োটিক ব্যাবহার এর মাত্রা, এর প্রতি সংবেদনশীলতা, মাইক্রোবিয়ালস লোড কতটুকু রয়েছে সেটি পরিমাপ করতে নিয়মিতভাবেই কাজ করে যাচ্ছে আঞ্চলিক প্রাণিরোগ অনুসন্ধান গবেষণার/এফডিআইএল জয়পুরহাট। এতে আমাদের সব সময় সহযোগিতা করেছে স্বপ ছোঁয়ার সিঁড়ি। তিনি আরো বলেন, এন্টিবায়োটিক/সুপার বাগ /এএমার নিয়ন্ত্রনে স্বপ্ন ছোঁয়ার সিঁড়ি মাইল ফলক। এন্টিমাইক্রোবিয়ালস রেসিসটেন্স নিয়ন্ত্রনে নিরাপদ ডিম ও মাংস উৎপাদনে স্বপ্ন ছোঁয়ার সিঁড়ি মডেল একটি সফল মডেল। খামারি জাকারিয়া বলেন, একদিনের বাচ্চা সংগ্রহ, পরিবহন, ব্রুডিং তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, ভেন্ট্রিলেশন ও লিটার ব্যাবস্থাপনা সঠিক রেখে সুষম পুষ্টি সরবরাহ করে লাভজনক ভাবে নিরাপদ দেশি মুরগি ও মুরগীর মাংস উৎপাদন হচ্ছে। খামারি সাদ্দাম হোসেন জানান, গড়ে উঠা দেশি মুরগীর বাণিজ্যিক খামারে কোন প্রকার এন্টিবায়োটিক মুরগির খাবার, চিকিৎসা, লালন পালন, বিক্রির পুর্বেও ব্যাবহার করা হয়না। শুধুমাত্র খামারের জীবনিরাপত্তা ব্যাবস্থা জোড়দার করে নিয়মিত টিকা প্রদান, কৃমিনাশক ঔষধ প্রয়োগ, সঠিক খামার ব্যাবস্থাপনার মাধ্যমে উৎপাদন খরচ কমিয়ে লাভজনক ভাবে এন্টিবায়োটিক, স্টেরয়েড মুক্ত মুরগী বাণিজ্যিক ভাবেই চাষ করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে ভেটেরিনারি সার্জন পিএএ ডা. মো. রায়হান বলেন, রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ স্বীকৃতি জনপ্রশাসন পদক ২০১৯ প্রাপ্ত এই মডেলটি যদিও সরকারি পৃষ্ট পোষকতায় সারা বাংলাদেশে একটি পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে সম্প্রসারিত করা যায় তাহলে টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট অর্জন ২০৩০, সরকারি নির্বাচনি ইসতেহার নিরাপদ প্রাণিজ আমিষের দিগুন উৎপাদনসহ এএমআর/সুপারবাগ নিয়ন্ত্রন বিশেষ ভুমিকা রাখবে বলে আমি আশা করি। বর্তমানে শেরপুরের ৬০০ টি খামার শহ দেশের ১৭ টি উপজেলার আরো ২৫০ টি বানিজ্যিক ভিত্তিক দেশি মুরগীর (অর্গাণিক) খামার উদ্যোক্তারা ইতোমধ্যেই দেশি মুরগির বাণিজ্যিক চাষে এন্টিবায়োটিক/স্টেরয়েড এর ব্যাবহার সম্পুর্ণভাবে মুক্ত রেখেছেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

two × 3 =

Back to top button
Close