বগুড়া সংবাদ ডটকম (সারিয়াকান্দি প্রতিনিধি রাহেনূর ইসলাম স্বাধীন) : বগুড়া সারিয়াকান্দির দুর্গম চরাঞ্চলে ক্যামিক্যাল মিশানো মহিষের দুধ বিক্রির অভিযোগ পাওয়ায় গোপনে দুধ সংগ্রহ করে পরীক্ষা করতে ঢাকায় পাঠিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় খামারিদের দাবি চরাঞ্চলে সরকারিভাবে দুধ সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হলে এমন অপরাধ থেকে বেড়িয়ে আসতে পারব। একই সাথে উৎপাদিত পণ্যের নায্য মূল্য পাওয়া যাবে। সরেজমিনে গেলে স্থানীয় খামারি ও মহিষের মালিকরা জানান, আমরা দুর্গম এলাকার মানুষ। উপজেলা শহরের সাথে আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই কষ্টকর। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল না থাকায় উৎপাদিত দুধ প্রতিদিন বাজারে বিক্রি করা সম্ভব হয়না। যোগাযোগ ব্যবস্থা লাজুক হওয়ায় এখানে প্রতিদিন দুধের পাইকার ও খুচরা ক্রেতারা আসতে চায় না। ফলে সংসার ও গাভীদের খাদ্যের যোগান দিতে বাধ্য হয়ে অ-বিক্রিত দুধের সাথে এক প্রকার ঔষধ মেশানো হয়। আর এই ঔষধ মেশানো হলে দুধ বেশ কয়েকদিন সংরক্ষন করে রাখা যায়। তবে এই ঔষধ ক্যামিক্যাল কি না তা আমরা জানি না। এ ব্যাপারে সারিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্র এর দায়িত্ব প্রাপ্ত স্যানেটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক কে.এম আজিজুল কবির রিপন জানান, চরাঞ্চলে হাজার হাজার মহিষের পাল থেকে প্রতিদিন শতশত লিটার দুধ পাওয়া যায়। তাতে ক্যামিক্যাল আছে কি না তা আমি জানি না। অভিযোগের ভিত্তিতে আমি চর থেকে দুধ সংগ্রহ করে পরিক্ষার জন্য পাঠিয়েছি। পরিক্ষার রিপোর্ট হাতে আসলে এবং ক্যামিক্যালের প্রমান মিললে মহিষ মালিকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন