বগুড়া সংবাদ ডট কম(বার্তা প্রেরক জে এম রউফ):-ভয়াল ২৫ মার্চ স্মরণে বগুড়া প্রেসক্লাবের আলোচনা সভায় দিবসটিকে আন্তর্জাতিক গণহতা দিবসের স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বক্তারা। তারা বলেন, বিশ্বের ইতিহাসে ২৫ মার্চের রাতের গণহত্যা ছিলো ভয়াবহ। নিরস্ত্র ও ঘুমন্ত মানুষকে নির্বিচারে হত্যার মধ্যদিয়ে পাক বাহিনী সেসময় এদেশের মুক্তিকামী মানুষকে দমিয়ে রাখতে চেয়েছিলো। কিন্তু দেশের মানুষ জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণকে পাথেয় করে হানাদারদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়। অপারেশন সার্সলাইট নামের এই গণহত্যার বিষয়টি বিশ্ববাসীকে স্তম্ভিত করে। কিন্তু দিবসটিকে আজও স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। বক্তারা অবিলম্বে জাতিসংঘের মাধ্যমে গণহত্যা দিবসের স্বীকৃতির দাবি জানান।
বগুড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রদীপ ভট্টাচার্য্য শংকরের সভাপতিত্বে রবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় আলোচনা সভা ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। ক্লাবের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক জে এম রউফের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল আলম নয়ন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এইইচ এম আখতারুজ্জামান ও আরিফ রেহমান, আমজাদ হোসেন মিন্টু, অধ্যাপক এএসএম আইয়ুব, মুরশিদ আলম, মোহন আখন্দ, সাজেদুর রহমান সিজু, আহম্মেদ উল্লাহ মনু, সবুর আল মামুন, আব্দুর রহমান টুলু প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক সমুদ্র হক, ইলিয়াস হোসেন, সাজ্জাদ হোসেন পল্লব, গৌরব চন্দ্র দাস, আব্দুর রহিম, সানাউল হক শুভ ও মুক্তার শেখ।
বক্তারা বলেন, ২৫ মার্চের গণহত্যার মধ্যদিয়ে যে যুদ্ধের সূচনা করে পাক হানাদার বাহিনী, ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্যদিয়ে তাদের রুখে দাঁড়ায় এদেশের মুক্তিকামী জনতা। দীর্ঘ ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের মধ্যদিয়ে বিজয় অর্জিত হয়। স্বাধীন দেশের স্থপতি যে আকাঙ্খা নিয়ে দেশ গড়ার কাজে হাত দেন, ৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট তাঁকে স্বপরিবারে হত্যার মধ্যদিয়ে সেই পথ রুদ্ধ করা হয়। পরবর্তীতে জাতিরজনকের কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রক্ষমতায় গিয়ে আবারও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ পরিচালনায় ব্রতী হন। একারণে এখন বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। বক্তারা এই ধারা অব্যাহত রাখতে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। (খবর বিজ্ঞপ্তির)

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন