Breaking News

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে উজানের ঢলে চরাঞ্চল প্লাবিত

বগুড়া সংবাদ ডট কম (সারিয়াকান্দি প্রতিনিধি প্রবীন কুমার সাহা) : বগুড়া সারিয়াকান্দিতে বন্যা পরিস্থিতি আরো অবনতি হয়েছে। এ কারনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান যেমন বাড়ছে তেমনি বাড়ছে পানি বন্দি লোকদের দুর্ভোগ। এখন পর্যন্ত যারা ত্রান পাননি তারা খাদ্য কষ্ট সহ বিশুদ্ধ পানি সহ বিভিন্ন দুর্ভোগ পোঁহাচ্ছেন। উপজেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন র্বোড ও স্থানিয় সুত্রে জানা যায়, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে এ উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। গত ১২ ঘন্টায় পানি আরও ৯ সে.মি বৃদ্ধি পেয়ে সারিয়াকান্দির নিকট যমুনা নদীর পানি সন্ধ্যায় বিপদ সীমার ৪৭ সে: মিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। পানি বৃদ্ধি অব্যহত আছে। এ কারনে এরই মধ্য উপজেলার ১২ টি ইউনিয়নের মধ্য যমুনা অববাহিকার ৯টি ইউনিয়নে ৫৭টি চরের ১১ হাজার ২১০ টি গ্রামের অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পরেছে। ১২হাজার ১১০টি কৃষক পরিবারের সাড়ে ৩হাজার হেক্টর জমির আমন বীজতলা, পাট,কাউন,আউশ ধান, শাকসব্জি সহ বিভিন্ন ফসলাদি পানিতে আক্রান্ত হয়েছে। এসব পানিবন্দি লোকজন গত ৭ দিন ধরে চরম খাদ্য কষ্ট,বিশুদ্ধ পানির অভাবে পরেছেন। এছাড়াও চর থেকে অনেক পরিবার গবাদি পশু নিয়ে বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ বিভিন্ন উচু স্থানে আশ্রয় নিচ্ছেন।এরই মধ্য সাড়ে ৩ হাজার মানুষ বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ ও আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন। পানিবন্দি লোকদের মধ্য প্রতিটি পরিবারকে ২০ কেজি করে মোট ৬০ মে: টন জি আর এর চাউল বিতরন করেন। তবে ত্রানের পরিমান অপ্রতুল হওয়ায় বন্যার্তরা অর্ধাহারে- অনাহারে দিন পার করছেন। চন্দনবাইশা ইউপি ঘুঘুমারী গ্রামের মিনা বেগম, আব্দুল খালেক, দুলাল, মাজেদা বেগম ও চাঁন মিয়া বলেন, তারা ২০ কেজি করে চাল পেয়ে খুশি হয়েছেন। তবে কুতুবপুর ইউনিয়নের ধলিরকান্দি গ্রামের রিক্তা বেগম, ফজল হক, মোনেজা বেগম, মকবুল হোসেন জানান, আমরা ৭ দিন ধরে বন্যার পানিতে বন্দি হয়ে থাকলেও কেউ আমাদের কোন ত্রাণ দেওয়া তো দূরের কথা দেখতে পর্যন্ত আসেননি। এব্যাপারে কুতুবপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইমরান আলী রনির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমার ইউনিয়নে এ পর্যন্ত ৮শ পরিবারকে ২০ কেজি করে ত্রাণের চাল দেয়া হয়েছে। আরও দেড় থেকে ২শত পরিবার ত্রাণ দিতে পারলে কারও না পাওয়ার অভিযোগ থাকবেনা। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার সারওয়ার আলম বলেন, ৩শ মে:টন জিআরএর চাল ১০ লক্ষ জিআরএর নগদ টাকা ও ১শ বান্ডিল ঢেউটিন চাওয়া হয়েছে। পাওয়া গেলে আশা করছি আর কারও কোন সমস্যা থাকবে না।