Breaking News

নন্দীগ্রামে যুবককে গুলি করে হত্যা ঘটনায় মামলা ॥ গ্রেপ্তার ৫

বগুড়া সংবাদ ডট কম : বগুড়ার নন্দীগ্রামের শেখের মারিয়া গ্রামে নিজ ঘরে সাদ্দাম হোসেন সুমন (২৬) কে গুলি করে হত্যার ঘটনায় তার দুই খালাতো ভাইসহ বন্ধুর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়েছে। গত রোববার রাতে নিহতের বাবা শাহজামাল সরদার মন্টু থানায় তাদের তিনজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো কয়েকজনের বিরুদ্ধে এমামলা করেন। পুলিশ হত্যাকান্ডে জড়িত সন্দেহে ৫ যুবককে গ্রেফতার করেছে। মামাতো বোনকে পেতে রিপন আহেমদ অন্যদের সহযোগিতায় পথের কাঁটা সাদ্দামকে গুলি করে হত্যা করে বলে এলাকায় প্রচারণা চলছে। আসামীরা হলো নিহত সাদ্দামের আপন খালাতো ভাই পার্শ্ববর্তী নাটোরের সিংড়া উপজেলার খন্দকার বরবড়িয়া গ্রামের মৃত তোজাম্মেল হোসেনের ছেলে রিপন আহমেদ, তার ভাই বেনজির আহমেদ এবং রিপনের বন্ধু একই এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে আরিফ হোসেন। বেনজির ও রিপন সরকারি আজিজুল হক কলেজ ছাত্রলীগ কর্মী সবুজ হত্যা মামলার আসামী। গ্রেফতার আসামীরা হলোঃ রিপনের বন্ধু খন্দকার বরবড়িয়া গ্রামের কারিমুল, সবুজ, আরিফ, নাজমুল ও মোশাররফ।
এলাকাবাসী জানায়, গত রোববার সকালে রিপন খালাতো ভাই সাদ্দামের ঘরে বসেছিল। বেলা ১২ টার দিকে গুলির শব্দ পেয়ে প্রতিবেশিরা ওই বাড়িতে ছুটে যান। এসময় তারা রিপনকে পালিয়ে যেতে দেখেন। ঘরের বিছানায় সাদ্দামকে রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। অন্যদিকে বগুড়ার নন্দীগ্রামের শেখের মারিয়া ও কবিপাড়া এবং নাটোরের সিংড়ার খন্দকার বরবড়িয়া গ্রামে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কবিপাড়া গ্রামের মামাতো বোন আশা রিপনকে অপছন্দ করতো। আবার সাদ্দাম নিজেদের মধ্যে বিয়ে করতে রাজি ছিলেন না। গত শনিবার কবিপাড়ার মামা আকতার হোসেন তারার বাড়িতে একটি আকিকা অনুষ্ঠানে সাদ্দাম ও রিপন গিয়েছিল। সাদ্দাম ওইদিন শেখের মারিয়া গ্রামের বাড়িতে ফিরলেও রিপন কবিপাড়ার মামার বাড়িতে ছিল। রিপন রোববার সকালে সাদ্দামদের বাড়িতে আসে। এলাকাবাসীদের ধারনা, প্রেমের কাঁটা দুর করতেই রিপন খালাতো ভাই সাদ্দামের মাথায় গুলি করে তাকে হত্যা করেছে। পুলিশ রিপনের ৫ বন্ধুকে গ্রেফতার করেছে। তাদের সোমবার বিকালে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে ৭ দিন করে রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। এবিষয়ে বগুড়া পুলিশের নন্দীগ্রাম সার্কেলের সিনিয়র এএসপি মাহবুব হোসেন কাজল জানান, মামাতো বোনকে ভালোবাসার কথা তিনিও শুনেছেন। তিনি বলেন, আসামী রিপন ও অন্যদের গ্রেফতারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চলছে। এরা ধরা পড়লেই হত্যাকান্ডের ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যাবে।