বগুড়া সংবাদ ডটকম (মহাস্থান প্রতিনিধি এস আই সুমন) :  ২রা সেপ্টেম্বর’১৭ইং পবিত্র ঈদুল আযহা অনুষ্ঠিত হবে। আর এই ঈদকে সামনে রেখে উত্তরাঞ্চলের সর্ব বৃহৎ কেনাবেচার হাট বগুড়ার শিবগহ্জ উপজেলা ঐতিহাসিক মহাস্থান হাটে জমে উঠেছে গু ছাগল ক্রয় বিক্রয়। কোরবানীর ঈদকে ঘিরে দেশের বিভিন্ন ্অঞ্চল থেকে আসা গরু ব্যবসায়ীরা বিক্রয়ের জন্য হাটে আনতে শুরু করেচেন বিভিন্ন জাতের গরু-ছাগল ফলে জমে উঠেছে ক্রয় বিক্রয়। সপ্তাহের প্রতি বুধবার ও শনিবার এহাটে পশু ক্রয় বিক্রয় করা হয়। প্রতি বছরের চেয়ে এবার দেশি গরুরু চেয়ে ভারতীয় গরুর আমাদানী একটু বেশি। তুলনামূলকভাবে দাম কম থাকায় গতবারের চেয়ে গরু ক্রয় বিক্রয় বেড়েছে অনেক। আর একারনেই দেশি গরু নিয়ে আতঙ্গে আছেন খামারীরা। এদিকে পশুরহাটে ক্রেত-বিক্রেতাদের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে প্রশাসন। সাধারণত ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে ভাল রোজগারের আশায় এলাকার কৃষকরা অনেকেই গরু মোটাতাজা করে গ্রাম পর্যায় কাঁচা সবজু ঘাস, ঘড়, খৈল ভুসি ইত্যাদি খাইয়ে গরু, ছাগল, মহিষ পালনের রেওয়াজ রয়েছে। কিন্তু গত কয়েক ছর ধরে উপজেলায় গরু মোটাতাজাকরণের পুরো প্রথার পাশাপাশি আধুনিক নানা পদ্ধতি অবলম্বন করতে শুরু করেছেন অনেকেই। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার অনেকেই প্রাকৃতিক উপায়ে সুষম খাদ্যের পাশাপাশি ইউরিয়া মোলাসিস ব্যবহারের অতি সহজেই গরু মোটাতাজাকরণ করছেন। বিশেষ করে গরুর খামারিরা এ কাজটি করছেন অধিকহারে। মহাস্থান হাটে গিয়ে ক্রেতা বিক্রেতাদের সাথে দাম দর নিয়ে কথা হয়। সাধারণ মানুষ জানান, গতবারের চেয়ে এবার দাম অনেক কম। এই হাটে গরু ব্যাপারীদের আনাগোনা চোখে পড়ার মতো। বুধবারের হাটে মহাস্থানে সবচেয়ে বড় গরুর দাম চাওয়া হয়েছিল ৭ লক্ষ টাকা। গরুর মালিক গোলাম রসুল খান রানার সাথে কথা হলে তিনি জানান, ক্রেতা ৫ লক্ষ টাকা গরুর দাম করেছে। গরুটি দেশীয় এবং পালন করতে আমার খরচ হয়েছে চার থেকে সাড়ে চার লক্ষ টকা। অপরদিকে একটি ছাগল বিক্রয় করা হয়েছ ৩২ হাজার টাকা। ছাগল হাটির ইজারাদার ফুল মিয়া, আনিছার রহমান ও রবিয়া এর সাথে কথা বললে তারা জানান, এবারে প্রচুর ছাগল আমদানী হয়েছে আশানুরুপ ক্রয় বিক্রয় হয়েছে। এবিষয়ে হাট ইজারাদার আলহাজ্ব মোঃ আজমল হোসেন ও পরিচালক আলহাজ্ব মোঃ জাহেদুর রহমান এর সাথে কথা হলে তারা জানান, হাটে প্রচুর গরু আমদানী হয়েছে এবং বিক্রয়ও বেশি হয়েছে। হাটের নির্দিষ্ট সীমানা ছাড়াও পাশের রাস্তার দুপাশে গরু নিয়ে প্রায় দেড় কিলোমিটার পর্যন্ত গরুর মালিকরা গরু নিয়ে দাড়িয়েছে। ক্রেতা বিক্রেতাদের সর্বাত্মক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। জাল টাকা সনাক্তকরনের জন্য ইসলামী ব্যাংক, রুপালী ব্যাংক এবং অগ্রনী ব্যাংকের কর্মকর্তাগণ গরু ক্রেতা বিক্রেতাদের সহযোগীতা করেন।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন