Breaking News

বগুড়ার শাজাহানপুরে ২ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে দেনমোহরের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

বগুড়া সংবাদ ডট কম (শাজাহানপুর প্রতিনিধি জিয়াউর রহমান) : বগুড়া শাজাহানপুরের মাঝিড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান তারেক হোসেন সুমন ও চোপীনগর ইউপি সদস্য মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে দেনমোহরের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন পাপিয়া আক্তার নামের এক তালাকপ্রাপ্তা মহিলা। শনিবার শাজাহানপুর থানায় এই অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালে উপজেলার মাঝিড়া ইউনিয়নের সুজাবাদ গ্রামের আবু জাফরের পুত্র জাহিনুর আলমের সাথে একই উপজেলার চোপীনগর ইউনিয়নের বৃ-কুষ্টিয়া গ্রামের আব্দুল কাফীর মেয়ে পাপিয়া আক্তারের বিয়ে হয়। বর্তমানের তাদের ২ বছর বয়সী ছামিউল নামের এক পুত্র সন্তান রয়েছে। এমতাবস্থায় পারিবারিক কলহের জের ধরে বৃহস্পতিবার দুপুরে মাঝিড়া ইউনিয়ন পরিষদে প্যানেল চেয়ারম্যান তারেক হোসেন সুমন ও চোপীনগর ইউপি সদস্য মেহেদী হাসানসহ উভয় পক্ষের লোকজনের উপস্থিতিতে দেনমোহরের ১ লক্ষ টাকায় আপোষ-মিমাংসা হয় এবং মাঝিড়া ইউনিয়নের কাজীর মাধ্যমে উভয়ের মধ্যে তালাক সম্পন্ন হয়। কিন্তুইউপি সদস্য তারেক হোসেন সুমন ও মেহেদী হাসান দেনমোহরের ১ লক্ষ টাকার মধ্যে ৭০ হাজার টাকা পাপিয়ার হাতে দিয়ে কৌশলে আপোষ নামায় স্বাক্ষর করে নেয়। বাকি ৩০ হাজার টাকার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের ভিতর কান্নাকাটি করলেও তারা টাকা না দিয়ে জোরপূর্বক পরিষদ থেকে বের করে দেয়। পাশাপাশি বেশী বাড়াবাড়ি করলে সমুদয় টাকাও দেয়া হবে না বলে হুমকি ধামকি দেয় তারা।
মাঝিড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান তারেক হোসেন সুমন জানান, মাঝিড়া ইউনিয়নের কাজীর হাত দিয়ে পাপিয়াকে সমুদয় টাকা দিতে চাইলে সে তার ভাই মেহেদী হাসানকে দিতে বলে এবং সকলের সামনে মেহেদী হাসানের হাতে সমুদয় টাকা দিয়ে দেয়া হয়।
মাঝিড়া ইউনিয়ন কাজী রুহুল আমিন জানান, দেনমোহরের ১ লক্ষ টাকা মেয়েকে দিতে চাইলে সে তার ভাই ইউপি সদস্য মেহেদী হাসানের হাতে দিতে বলে। টাকা পেয়ে তারা সবাই চলে যায়।
পাপিয়া আক্তার জানান, মেহেদী হাসান তার সম্পর্কে পাড়া প্রতিবেশী ভাই হয়। অভিভাবক হিসেবে তাকে নিয়ে সাথে নেয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা যোগসাজসে ৩০ হাজার টাকা না দিয়ে জোর করে তাড়িয়ে দিয়েছে।
অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা থানার এসআই ফজলুল হক জানান, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।