Breaking News

এগিয়ে রয়েছেন আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন || বগুড়ার-৪ আসন, কাহালু-নন্দীগ্রাম এলাকায় বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রায় হাফ ডজন

বগুড়া সংবাদ ডট কম (কাহালু প্রতিনিধি এম এ মতিন) : জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে আগাম বগুড়ার-৪ আসন কাহালু-নন্দীগ্রাম এলাকায় বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রায় হাফ ডজন নেতা। এখন পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপিনেতা বিশিষ্ট শিল্পপতি আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন। গত ১৯৯১ সালে ৬ষ্ট জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার-৪, আসন কাহালু-নন্দীগ্রাম এলাকা থেকে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আজিজুল হক মোল্লা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৯৪ সালে মারা গেলে ওই আসনের উপ-নির্বাচনে তার পুত্র ডাঃ জিয়াউল হক মোল্লা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। গত ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাত্র ১৫ দিনের জন্য ডাঃ জিয়াউল হক মোল্লা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। গত ১৯৯৬ সালে আবার ৭ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডাঃ জিয়াউল হক মোল্লা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। গত ২০০১ সালে ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডাঃ জিয়াউল হক মোল্লা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। কিন্তু গত ২০০৮ সালে ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ডাঃ জিয়াউল হক মোল্লা বিএনপির সংস্কারপ্রন্থীদের সাথে যোগ দেওয়ায় গত ২০০৮ সালে ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ওই আসনে বিএনপিনেতা ইঞ্জিঃ জেড আই এম মোস্তফা আলী মুকুল সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সাবেক এম পি ডাঃ জিয়াউল হক মোল্লা বিএনপির সংস্কারপ্রন্থী হওয়ার পর থেকে অদ্যবদী পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় নেই। কিন্তু গত ২০০৭ সাল হতে ওই আসনে এখন পর্যন্ত বগুড়া জেলা ও নন্দীগ্রাম উপজেলা বিএনপির কার্যনির্বাহী সদস্য, কেন্দ্রীয় কোকো স্মৃতি পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক, কেন্দ্রীয় জিয়া শিশু কিশোর পরিষদের সহ-সভাপতি ও কাহালু-নন্দীগ্রাম এলাকার বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী বিশিষ্ট শিল্পপতি আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন প্রোগ্রাম করে যাচ্ছেন। দশম সংসদ নির্বাচনের পরও তিনি কাহালু-নন্দীগ্রাম এলাকার বিএনপির তৃর্ণমূল পর্যায়ের সমর্থক, নেতাকর্মীদের সাথে কুশল বিনিময় এবং আবাল, বৃদ্ধ, কিশোর-কিশোরী, যুবক-যুবতী, রিক্রা, ভ্যান চালক সহ সর্ব জনসাধারনের কাছে জাতীয়তাবাদীদল (বিএনপি) এর পতাকাতলে আনার জন্য দিনরাত দাওয়াত দিয়ে যাচ্ছেন। দুই উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় নিজস্ব অর্থায়নে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, মক্তব ও মন্দিরে দেওয়াল ঘড়ি, ফ্যান, কোম্বল বিতরণ এবং বিভিন্ন প্রয়োজনীয় উপকরণ সহ আর্থিক সহযোগীতা প্রদান করে আসছেন তিনি। এই জন্য তিনি অতিঅল্প সময়ে বিএনপির সমর্থক, নেতাকর্মী ও জনসাধারনের কাছে জনপ্রিয় এবং প্রসংশিত হয়ে উঠচ্ছেন। নির্বাচন হওয়ার পরও ঘরে বসে না থেকে দিনে-রাতে আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন দুই উপজেলার বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে যোগাযোগ এমনকি বিভিন্ন কর্মসূচীতে তিনি সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহন করে আসছেন। এমনকি দুই উপজেলার বিএনপির অনেক নেতাকর্মী মামলায় জেল-হাজতে গিলে তাদের জামিন করান এবং নেতাকর্মী জেল-হাজতে থাকায় কারণে তাদের পরিবারের কাছে গিয়ে তাদেরকে শান্তনা দেন এবং নগদ অর্থ প্রদান করেন। ৫ জানুয়ারী-২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর পাল্টে গেল কাহালু-নন্দীগ্রাম বিএনপির প্রেক্ষাপট। এমপি ইঞ্জিঃ জেড আই এম মোস্তফা আলী মুকুল সাবেক হয়ে যাওয়ার পর কয়েকটা ছোট খাট কর্মসূচী পালন করেন তিনি। এছাড়াও বগুড়া জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এ্যাডঃ রাফি পান্না মাঝে মধ্যে দুই-একটা কর্মসূচী পালন করেন নন্দীগ্রামে। এছাড়াও বগুড়া জেলা বিএনপির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওঃ ফজলে রাব্বী তোহা মাঝে মধ্যে দুই-একটা কর্মসূচী পালন করেন নন্দীগ্রামে ও বিএনপিনেতা আব্দুর রহিম কাহালু ও নন্দীগ্রাম উপজেলায় মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে পোষ্টাল লাগিয়েছেন। কাহালু-নন্দীগ্রাম এলাকার বিএনপির তৃর্ণমূল পর্যায়ের ৫ শতাধিক ব্যক্তির সাথে কথা বলা হলে তারা জানান, সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য বিশিষ্ট শিল্পপতি আলহাজ্ব মোশারফ হোসেনের মত নেতার প্রয়োজন।