Breaking News

দুপচাঁচিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা

বগুড়া সংবাদ ডট কম (দুপচাঁচিয়া প্রতিনিধি আবু রায়হান) : দুপচাঁচিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি ভেঙ্গে দিয়ে আনিছুল ইসলামকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব গ্রহন করে এডহক কমিটি গঠনের অনুমতির আবেদন করার জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড রাজশাহীর বিদ্যালয় পরিদর্শক স্বাক্ষরিত এক পত্রে নির্দেশ প্রদান করেছেন। বগুড়া সংবাদ ডট কম (দুপচাঁচিয়া প্রতিনিধি আবু রায়হান) : দুপচাঁচিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি ভেঙ্গে দিয়ে আনিছুল ইসলামকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব গ্রহন করে এডহক কমিটি গঠনের অনুমতির আবেদন করার জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড রাজশাহীর বিদ্যালয় পরিদর্শক স্বাক্ষরিত এক পত্রে নির্দেশ প্রদান করেছেন।  গত ৩জুলাই বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক স্বাক্ষরিত পত্র সূত্রে জানা যায়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিধি মোতাবেক কোন বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের  পদ শূণ্য থাকলে ওই পদে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করার কথা থাকলেও বিদ্যালয়ে পরিচালনা কমিটি সভাপতি এবিএম জহুরুল ইসলাম খান তা না মেনে কনিষ্ট শিক্ষক এএইচএম নুরুল ইসলাম খানকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব প্রদান করেন। এরই প্রেক্ষিতে জ্যেষ্ঠ শিক্ষক আনিছুল ইসলাম উচ্চ আদালতে রীট করলে বিজ্ঞ আদালত শিক্ষা বোর্ডকে বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য আদেশ দেন। আদালতের আদেশ অনুযায়ী শিক্ষা বোর্ড গত ২৬/১০/১৬ইং তারিখে শিক্ষা বোর্ডে নিষ্পত্তি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় গৃহিত সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১৮/০৩/১৭ইং তারিখে ২৪১তম বোর্ড সভায় বিষয়টি অনুমোদিত হলে উক্ত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতিকে জ্যেষ্ঠ শিক্ষক আনিছুল ইসলামকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব অর্পন করার জন্য পত্র প্রদান করেন। সভাপতি ওই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় ২৩/০৫/১৭ইং তারিখে সুস্পষ্ট ব্যাখা প্রদানের জন্য সভাপতিকে আবারও একটি পত্র প্রদান করা হয়। কিন্তু সভাপতি ওই পত্রের জবাব না দিলে সহকারী শিক্ষক এইচএম নুরুল ইসলাম খান কমিটির রেজুলেশন ও আনিছুল ইসলাম কর্তৃক দায়ের রীট পিটিশনের প্রত্যাহারের কপি শিক্ষা বোর্ডে দাখিল করেন। শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞ আইন উপদেষ্টার নিকট বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য দায়িত্ব অর্পন করলে বিজ্ঞ আইন উপদেষ্টা উক্ত বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি ভেঙ্গে দেয়ার পক্ষে মতামত প্রকাশ করেন। এরই প্রেক্ষিতে শিক্ষা বোর্ডের প্রবিধানমালা ২০০৯ এর ৩৮(১) ধারা অনুযায়ী বিদ্যালয়ের চলমান ম্যানেজিং কমিটি ভেঙ্গে দেয়া হয়।