Breaking News

নন্দীগ্রাম-কাহালু হারানো আসন ফিরে পেতে মরিয়া বিএনপি

বগুড়া সংবাদ ডট কম (নন্দীগ্রাম প্রতিনিধি মো: ফিরোজ কামাল ফারুক) : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে লক্ষ্য করে বগুড়া-৪ নন্দীগ্রাম-কাহালু উপজেলার নির্বাচনী এলাকায় প্রচারণায় সরগরম হয়ে উঠেছে। দলকে চাঙ্গা করতে এবং তৃণমূলের নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করতে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা চষে বেড়াচ্ছেন গ্রাম থেকে গ্রামান্তর। কিন্তু বাদ সেধেছে কোন্দল আর দ্বন্দ্ব। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের মনোনয়ন পাওয়া নিয়ে এই দ্বন্দ্ব আরও বেড়েছে। এনিয়ে দলীয় নেতা-কর্মীরা হতাশায় ভুগছেন।
এই আসনে দলীয় মনোনয়ন পেতে চেষ্টা করছেন, সাবেক এমপি ডা: জিয়াউল হক মোল্লা, ইঞ্জিনিয়ার মোস্তফা আলী মুকুল, কেন্দ্রীয় জিয়া শিশু কিশোর সংগঠনের সহ-সভাপতি ও জেলা বিএনপির সদস্য আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এ্যাড. রাফি পান্না।
বিএনপি-জামায়াতের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত নন্দীগ্রাম-কাহালু উপজেলা। ৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে এই নির্বাচনী এলাকা থেকে বিএনপির প্রার্থী আজিজুল হক মোল্লা এমপি নির্বাচিত হন। ৯৪ সালে তার মৃত্যুর পর উপ-নির্বাচনে আজিজুল হক মোল্লার বড় ছেলে ডাঃ জিয়াউল হক মোল্লা এমপি নির্বাচিত হন। ডাঃ জিয়াউল হক মোল্লা প্রথমে উপ-নির্বাচনসহ মোট ৪ বার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোস্তফা আলী মুকুল এমপি নির্বাচিত হন। তবে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নির্বাচনে অংশ গ্রহণ না করায় এ আসন থেকে জেলা জাসদের সভাপতি রেজাউল করিম তানসেন এমপি নির্বাচিত হন। কাহালু-নন্দীগ্রাম এলাকার বিএনপি, অঙ্গ সহযোগী সংগঠন ও তৃর্ণমূল পর্যায়ের একাধিক ব্যক্তির সাথে কথা বলা হলে তারা জানান, সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য এবং কাহালু-নন্দীগ্রাম আসনে এমপি প্রার্থী হিসেবে বিএনপির দুঃসময়ের কান্ডারী বিশিষ্ট শিল্পপতি আলহাজ্ব মোশারফ হোসেনের মত নেতার দরকার বলে সচেতন মহল মনে করেন। তাকে মনোনয়ন দিলে এ আসনটি ফিরে পাবে। অন্যদিকে বিএনপির মধ্যে নেতৃত্বের কোন্দল থাকলেও তারা হারানো আসর ফিরে পেয়ে মরিয়া হয়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এদিকে সম্ভাব্য প্রার্থীরা যতোটা নিজের জন্য গণসংযোগ করছেন তার চেয়ে বেশি মোকাবিলা করছেন দলীয় কোন্দল।