Breaking News

কাহালু-নন্দীগ্রাম আসনে রাজনৈতিক কর্মকান্ডে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপিনেতা আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন

বগুড়া সংবাদ ডটকম (কাহালু প্রতিনিধি এম এ মতিন) : বিএনপিনেতা ও বিশিষ্ট শিল্পপতি আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন কাহালু-নন্দীগ্রাম এলাকার বিএনপির নেতাকর্মী ও জনগনের জনপ্রিয়তায় শীর্ষ স্থানে রয়েছেন। গত ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বগুড়া-৪, কাহালু-নন্দীগ্রাম আসনের বিএনপির সকলে হাল ছাড়লেও হাল ছাড়েননি নন্দীগ্রাম উপজেলা ও বগুড়া জেলা বিএনপির সদস্য, কেন্দ্রীয় জিয়া শিশু কিশোর পরিষদের সহ-সভাপতি, কেন্দ্রীয় কোকো স্মৃতি পরিষদের যুগ্ন আহবায়ক ও কাহালু-নন্দীগ্রাম এলাকার বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী বিশিষ্ট শিল্পপতি আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন। দশম সংসদ নির্বাচনের পরও তিনি কাহালু-নন্দীগ্রাম এলাকার বিএনপির তৃর্ণমূল পর্যায়ের সমর্থক, নেতাকর্মীদের সাথে কুশল বিনিময় এবং আবাল, বৃদ্ধ, কিশোর-কিশোরী, যুবক-যুবতী, রিক্রা, ভ্যান চালক সহ সর্ব জনসাধারনের কাছে জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর পতাকাতলে আনার জন্য দিনরাত দাওয়াত দিয়ে যাচ্ছেন ২০০৭ সাল থেকে। এই জন্য তিনি বিএনপির সমর্থক, নেতাকর্মী ও জন-সাধারণের কাছে জনপ্রিয় এবং প্রসংশিত হয়ে উঠচ্ছেন। যার ফলে কাহালু-নন্দীগ্রাম এলাকার জাতীয়তাবাদী চেতনার ধারক শহীদ জিয়ার আর্দশ বাস্তবায়নকারী তথা বিএনপির নেতাকর্মী সমর্থকবৃন্দ আগামীতে সংসদ নির্বাচনে কাহালু-নন্দীগ্রাম আসনে আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন মনোনয়ন পাবেন বলে তারা আশাবাদী। প্রথম দিকে কাহালু-নন্দীগ্রাম বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ কেউ তাকে কাহালু-নন্দীগ্রাম রাজনৈতিক অঙ্গনে উৎসাহিত বা সহযোগীতা করেননি। তথাপি তিনি হাল ছাড়েননি। দু-চারজন বিএনপি সমর্থকদের নিয়ে দুই উপজেলার তৃর্ণমুল পর্যায়ের মানুষদের মাঝে শহীদ জিয়ার আদর্শ বাস্তবায়ন এবং বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়ার নেতৃত্বে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান। দুই উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় নিজস্ব অর্থায়নে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, মক্তব ও মন্দিরে দেওয়াল ঘড়ি, ফ্যান, কোম্বল বিতরণ এবং বিভিন্ন প্রয়োজনীয় উপকরণ সহ আর্থিক সহযোগীতা প্রদান করে আসছেন তিনি। দুই উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের অনেক কর্মকান্ডে তার পদবি থাকা সত্বেও তিনি দর্শকের সাড়িতে থেকেছেন। দর্শকের সাড়িতে থেকেও কর্মকান্ড করেও তিনি কোখানো হতাশ হননি। তিনি ক্ষুব্ধ হননি বরং তীক্ষè মেধা দিয়ে মার্জিত ও ভদ্র আচারনের মাধ্যমে নেতৃবৃন্দ, কর্মী সমর্থকদের সব সময় আকৃস্ট করার চেস্টা করেন। বিশেষ করে তৃর্ণমূল মানুষদের সাথে মতবিনিময়ে বেশীর ভাগ সময় দেন তিনি। ৫ জানুয়ারী-২০১৪ দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর পাল্টে গেল কাহালু-নন্দীগ্রাম বিএনপির প্রেক্ষাপট। এমপি ইঞ্জিঃ জেড আই এম মোস্তফা আলী মুকুল সাবেক হয়ে যাওয়ার পর কয়েকটা ছোট খাট কর্মসূচী পালন করেন তিনি। এছাড়াও বগুড়া জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এ্যাডঃ রাফি পান্না মাঝে মধ্যে দুই-একটা কর্মসূচী পালন করেন নন্দীগ্রামে। নির্বাচন হওয়ার পরও ঘরে বসে না থেকে দিনে-রাতে আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন দুই উপজেলার বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে যোগাযোগ এমনকি বিভিন্ন কর্মসূচীতে তিনি অংশগ্রহন করে আসছেন। শুধু তাই নয় বিএনপির নেতাকর্মীরা মামলায় কারণে জেল-হাজতে গেলে তাদের জামিন ও তাদের পরিবারকে আর্থিক ভাবে সহযোগিতা করে আসছেন তিনি। কাহালু-নন্দীগ্রাম এলাকার বিএনপির তৃর্ণমূল পর্যায়ের ৫ শতাধিক ব্যক্তির সাথে কথা বলা হলে তারা জানান, সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য বিশিষ্ট শিল্পপতি আলহাজ্ব মোশারফ হোসেনের মত নেতার দরকার।