বগুড়া সংবাদ ডট কম (শেরপুর প্রতিনিধি রায়হানুল ইসলাম) : বগুড়ার শেরপুরের শালফা কাসেমুল উলুম কওমি হাফেজিয়া মাদ্রাসার মহতামিম মাওলানা মো. সাজ্জাদুল বারীর (মাদ্রাসা প্রধান) বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের প্রতিবাদ করায় ওই মাদ্রাসার কয়েকজন ছাত্রকে বহিস্কার করা হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের শালফা কাসেমুল উলুম কওমি হাফেজিয়া মাদ্রাসার মহতামিম মাওলানা মো. সাজ্জাদুল বারীর (মাদ্রাসা প্রধান) বিরুদ্ধে ছাত্রদের দিয়ে দিন মুজুরীর কাজ, মাদ্রাসা উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন এলাকা থেকে চাঁদা আদায় করে। চাঁদার টাকায় মাদ্রাসা উন্নয়ন না করে বিভিন্ন ভাবে ভাউচার দিয়ে কমিটির কতিপয় সদস্যদের সাথে নিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাত করছেন। মাদ্রাসার মহতামিম মাওলানা মো.সাজ্জাদুল বারীর এসব দূর্নীতি ও কু-কীর্তির প্রতিবাদ করায় গত সোমবার ওই মাদ্রাসার হেফজো বিভাগের ছাত্র বায়েজিদ, আসলাম, সৈয়দ আলী, আতিকুর রহমান ও রাব্বীকে বহিস্কার করা হয়েছে। অন্যায় ভাবে তাদের বহিস্কার করা নিয়ে অন্যান্য ছাত্রদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং ওই দিনই আরো প্রায় ৩০ জন ছাত্র লেখা পড়া বাদ দিয়ে ক্ষোভে মাদ্রসা ত্যাগ করে। এ ঘটনায় ওই এলাকায় জন সাধারনের মাঝে ব্যাপক তোলপাড় চলছে। এ দিকে মাদ্রাসাটি নিয়ম মাফিক পরিচালনা না করে কুক্ষিগত করে রাখার জন্য তার অনিয়মের প্রতিবাদ করলে সে ছাত্র এবং শিক্ষকদের ভয়ভীতি দেখান। এ প্রসঙ্গে শালফা কাসেমুল উলুম কওমি হাফেজিয়া মাদ্রাসার মহতামিম মাওলানা মো. সাজ্জাদুল বারী বলেন- আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা। শিক্ষক ও ছাত্ররা মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে গেছে। তবে মাদ্রসা উন্নয়নের জন্য রশিদমুরে টাকা আদায় করা হয় এবং ভাউচারের মাধ্যমে খরচ করা হয়।
এ ব্যাপারে ওই মাদ্রাসার সভাপতি আলহাজ মো. আনছার আলীর সাথে (০১৭৫৫৫০৩৭৪১) এই নাম্বারে একাধিকবার যোগাযোগ করলে তার মোবাইল রিং হলেও তিনি রিসিভ করেন নি।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন