বগুড়া সংবাদ ডটকম (মহাস্থান প্রতিনিধি এস.আই সুমন) : বগুড়ার সদরের নামুজা ইউনিয়নের বামনপাড়া গ্রামের মৃত: হাফিজার রহমানের পুত্র রেজাউল করিম একটিবাড়ী একটি খামার প্রকল্পের আদমদিঘী উপজেলা শাখার সুপারভাইজার হিসাবে কাজ করা অবস্থায় চাকুরী সংক্রান্ত বিষযের জের ধরে তারই অফিসের জিল্লুর রহমান দুই জনকে চাকুরীর দেওয়ার নামে ছয় লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা নিয়ে চাকুরী না দিয়ে ফেরত দেওয়ার নামে সুকৌশলে রেজাউলকে নন্দীগ্রাম থানা এলাকায় ডেকে নিয়ে ০১/০৯/২০১৬ইং তারিখে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে গিয়ে রেজাউলকে আগুনে পুড়ে হত্যা করে। এঘটনায় রেজাউলের ভাই জহুরুল ইসলাম গত ০২/০৯/২০১৬ইং তারিখে বাদী হয়ে জিল্লুর রহমান সহ তার কয়েকজন সহযোগীর বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এঘটনায় প্রধান আসামি নাটোর জেলার গোয়ালদিঘী কৃষ্ণুপর গ্রামের জাকির হোসেনের পুত্র নন্দীগ্রাম উপজেলার একটি বাড়ী একটি খামার প্রকল্পের কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান সহ চার জনকে পুলিশ আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করে। জিল্লুর রহমানের বিরুদ্ধে আদমদিঘী থানার হলুদ ঘর গ্রামের শহিদুল ইসলামের পুত্র আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে পনেরো লক্ষ টাকার চেকের মামলা দায়ের করেন। হত্যাকারী বাকী আসামিদের কে দ্রুত আটক করে জিল্লুর রহমান সহ ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদেরকে দ্রুত বিচারের মাধ্যমে ফাঁসি কার্যকরের জন্য জোর দাবী জানিয়েছে রেজাউলের ভূক্তভোগী পরিবার। মামলাটি বর্তমানে সিআইডিতে রয়েছে। এব্যাপারে মামলার দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তার সিআইডির এস আই হোসাইনের সাথে কথা বললে তিনি জানান বাকীঁ যে আসামি রয়েছে তাকে আটকের চেষ্টা চলছে। আটক করতে পারলেই মামলার চার্জশিট দাখিল করা হবে।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন