বগুড়া সংবাদ ডট কম (কাহালু প্রতিনিধি এম এ মতিন) : বগুড়া-৪. কাহালু-নন্দীগ্রাম এলাকার আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজ সেবক আলহাজ্ব অধ্যাপক এ এন এম আহছানুল হক ১৭/১০/১৯৭২ সালে বগুড়ার কাহালুর শীতলাই গ্রামের এক মুসলিম সম্ভ্রান্ত পরিবারে জম্ম গ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম এ কে এম আমীর আলী। তিনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন প্রধান শিক্ষক ছিলেন। তার মাতার নাম এ কে এম মাজেদা খাতুন। তিনি পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের একজন সরকারি চাকুরীজীবি ছিলেন। তার পিতা ১৯৫৪ সাল থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের একজন একনিষ্ঠ অনুসারী হয়ে সারাটি জীবন আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে এলাকা ও এলাকার জনগণের সেবা করে গেছেন। একজন আওয়ামীলীগনেতা হিসেবে তার পিতা স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখেছিলেন। সরকারি চাকুরী করার কারণে বড় কোন পদে থাকা তার পক্ষে সম্ভব হয়নি তবে সারাটি জীবন নিজেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ প্রচারে নিয়োজিত রেখেছিলেন তিনি। আলহাজ্ব অধ্যাপক এ এন এম আহছানুল হক ১৯৮৮ সালে কাহালু উচ্চ বিদ্যালয় হতে এস এস সি কলা বিভাগ হতে লেটার মার্ক সহ প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। ১৯৯০ সালে সরকারি আজিজুল হক কলেজ হতে এইচ এস সি কলা বিভাগ হতে লেটার মার্ক সহ প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। ১৯৯৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে বি,এ অনার্স (ইংরেজী) দ্বিতীয় শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হন। ১৯৯৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে এম, এ (ইংরেজী) দ্বিতীয় শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হন। ১৯৯৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে জুনিয়র সার্টিফিকেট কোর্স (মিলিটারী সাইন্সে) উত্তীর্ণ হন। ১৯৯৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে সিনিয়র সার্টিফিকেট কোর্স (মিলিটারী সাইন্সে) উত্তীর্ণ হন। তিনি ২০১০ সালে শিক্ষক প্রশিক্ষণ করেন নেপালে। তিনি ঢাকা ধানমন্ডি অক্রফোর্ড ইংলিশ স্কুলের সাবেক ইংরেজী শিক্ষক ছিলেন, ঢাকা সরকারি পল্লবী কলেজের সাবেক প্রভাষক ছিলেন, শ্রী সেতি দেবী মাধ্যমিক স্কুল, ফারাপিং, কাঠমন্ডু, নেপাল এর সাবেক ইংরেজী শিক্ষক ছিলেন, অরুণদয় একাডেমি (উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়), কাঠমন্ডু, নেপাল এর সাবেক গেষ্ট লেকচারার ছিলেন, বর্তমানে তিনি ঢাকা দক্ষিণখান সরদার সুরুজ্জামান মহিলা বিশ্বাবিদ্যালয় কলেজের ইংরেজী বিভাগের সহকারি অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত বয়েছেন। তিনি ১৯৮৮ সালে ছাত্রলীগের প্রাথমিক সদস্য কুপণ পূরণের মাধ্যমে ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে রাজনৈতিক জীবন শুরু। ১৯৯১ সাল ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন হলের ছাত্রলীগের একনিষ্ঠ সক্রিয় কর্মী ছিলেন। তিনি ঢাকা শিক্ষা বোর্ড এর মাধমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বোর্ড পরীক্ষক ছিলেন। ২০০৫ সালে নেপাল, ২০০৬ সালে ভারত ও ভুটান, ২০০৮ সালে থাইল্যান্ড, ২০১০ সালে নেপাল, ২০১২ সালে তিনি তার মাতার সাথে সৌদি আরবে পবিত্র হজ্ব করেন। ২০১৪ সালে উমরা হজ্ব করার জন্য তিনি সৌদি আরবে যান। তিনি ঢাকার দক্ষিণখান আন্মাহ্ ইন্টারন্যঅশন্যাল স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে রয়েছেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন নেওয়ার জন্য তিনি কাহালু ও নন্দীগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কর্মী সভা ও নির্বাচনী প্রাচরনা সভা করছেন এবং অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করছেন। তার স্ত্রী কুষ্টিয়া ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় হতে বি,বি,এস (অনার্স) এম,বি,এস (হিসাববিজ্ঞান) উর্ত্তীণ হন। তার স্ত্রী বর্তমানে ঢাকার দক্ষিণখান আন্মাহ্ ইন্টারন্যঅশন্যাল স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন