বগুড়া সংবাদ ডট কম (কাহালু প্রতিনিধি এম এ মতিন) : বগুড়া জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, “সামাজিক আপোষযোগ্য বিরোধগুলো এলাকায় এবং ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম আদালতের মাধ্যমে মিমাংসা করে প্রচলিত বিচার ব্যবস্থার উপর চাপ কমানো সম্ভব। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক ইস্যু যেমন মাদক, বাল্যবিবাহ, যৌতুক বন্ধ করার ক্ষেত্রে আরজে সহায়ক ও সিবিও কমিটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি আশা করেন। বুধবার বগুড়া জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এনজি ও লাইট হাউস এর উদ্যোগে আইআরএসওপি প্রকল্পের আওতায় রেস্টোরেটিভ জাস্টিস সহায়ক সমাবেশ-২০১৮তে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা গুলো বলেন তিনি। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন লাইট হাউস এর নির্বাহী প্রধান মোঃ হারুন-অর-রশীদ। সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক জিপি ও বগুড়া আইন কলেজের অধ্যক্ষ এ্যাডঃ আল মাহমুদ, বগুড়া জজ কোর্টের সাবেক পিপি এ্যাডঃ মোঃ হেলালুর রহমান হেলাল, বরাস্ট এর সমন্বয়কারী এ্যাডভোকেট আশরাফুন্নাহার স্বপ্না, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন এর ব্যুরো প্রধান হাসিবুর রহমান বিলু। কাহালুর নারহট্র ইউ পি চেয়ারম্যান রুহুল আমিন তালুকদার বেলাল সহ সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যানগণ উপস্থিত ছিলেন। লাইট হাউস এর নির্বাহী প্রধান মোঃ হারুন-অর-রশীদ তার সভাপতির বক্তব্যে উপস্থিত সকল আরজে সহায়কগণকে ধন্যবাদ জানান এবং বলেন, “আমরা ভবিষ্যতে এ ধরনের আপোষযোগ্য শালিস সমূহ আরও বেশী বেশী দক্ষতার সাথে সমাধান করে যাব। সেই সাথে দেশের কোর্টে মামলার চাপ কমিয়ে আনতে সহায়তা করব।” তিনি প্রধান অতিথি সহ সফল ০৮ জন আরজে সহায়কের মাঝে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। সমাবেশে গ্রুপ ওয়ার্ক পরিচালনা করেন প্রকল্প ম্যানেজার এ, কে, এম সামছুজ্জোহা (তুহিন)। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন উপজেলা সুপারভাইজার বিধান কৃষ্ণ রায়। উল্লেখ্য যে, লাইট হাউস ২০১৪ সাল থেকে বগুড়া জেলার সদর উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন এবং কাহালু উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে উক্ত কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। উক্ত ৭২ জন আরজে সহায়ক এ পর্যন্ত ২,৯৯২ টি আপোষযোগ্য বিরোধ নিষ্পত্তি করতে সক্ষম হয়েছে।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন