বগুড়া সংবাদ ডট কম : বগুড়ার নন্দীগ্রামের কচুগাড়ি এলাকায় গ্রীণ ভিশন ফাউন্ডেশন নামে একটি সংস্থা স্থাপন করে ঋণ দেবার নামে বিভিন্ন গ্রামের অসহায় জনগণকে ঋণ দেবার নামে অন্তত ৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। গত রোববার দুপুরে ঋণ দেবার কথা থাকলেও কর্মকর্তা-কর্মচারিরা অফিসে তালা দিয়ে সটকে পড়েছে। তাদের সকলের ফোন নম্বর বন্ধ। বিকাল পর্যন্ত তারা অফিসের সামনে অবস্থান করে বাড়ি ফিরে গেছেন। গত সোমবার তারা বগুড়া শহরের কৈগাড়ি এলাকায় জোনাল অফিসে যাবার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। উপজেলার গুন্দইল গ্রামের গ্রাহক সুরেশ, ওমরপুরের আবদুর রশিদ ও চুকাইপাড়ার আবু সাইদ জানান, গত ৮-৯ দিন আগে কচুগাড়ি এলাকায় ভাড়া বাড়িতে গ্রীণ ভিশন ফাউন্ডেশনের শাখা অফিস (রেজি: নম্বর: ৮৮১৭১-০৪০৯১৬৬-০০৯৩৯) খোলা হয়। এখানে ব্যবস্থাপক জাহিদুল ইসলাম, মাঠকর্মী আবুল কালাম আজাদসহ ৩-৪ জন কর্মরত ছিল। তারা ঋণ দেবার নামে কয়েকটি গ্রামে ১৫-২০ জনের করে কমিটি গঠন করে। গ্রীণ ভিশন ফাউন্ডেশনের লোকজন বিভিন্ন অংকের ঋণ নেবার ওইসব কমিটির সদস্য গ্রাহকদের কাছে অন্তত ৬ লাখ টাকা আদায় করে। গ্রাহকরা বিশ্বাস করে টাকাগুলো দেন। রোববার দুপুরে ঋণ দেবার কথা ছিল। গ্রাহকরা এসে দেখেন অফিসে তালা ঝুলছে। কর্মকর্তাদের ফোন দিলে বন্ধ পান। বগুড়া শহরের কৈগাড়ি এলাকায় জোনাল অফিস থাকার দাবি করলেও গ্রাহকরা কেউ সে অফিস দেখেননি। ভুক্তভোগীরা জানান, তারা সরল বিশ্বাসে টাকাগুলো দিয়েছিলেন। গুন্দইল গ্রাম থেকে ৩৫ হাজার, নামুইট গ্রাম থেকে ২৫ হাজার, চুকাইপাড়া থেকে ১৭ হাজার ৫০০ টাকা, ওমরপুর থেকে ৪০ হাজার টাকাসহ বিভিন্ন গ্রাম থেকে ওই পরিমাণ টাকা আদায় করেছে। গুন্দইল গ্রামের গ্রাহক সুরেশ জানান, জোনাল অফিসে ফোন (০১৯০৬-০০৯৮১৩) দিয়ে বন্ধ পাচ্ছেন। তাই তারা সোমবার বগুড়ায় জোনাল কার্যালয়ে যাবেন। এ ব্যাপারে নন্দীগ্রাম থানার ওসি আবদুর রাজ্জাক জানান, এই এনজিও ব্যাপারে কেউ কোন অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন