বগুড়া সংবাদ ডট কম (ধুনট প্রতিনিধি ইমরান হোসেন ইমন) : বগুড়ার ধুনটে ভূয়া লাইসেন্সে পল্লী বিদ্যুতের সেচ সংযোগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার বিকালে উপজেলার ধামাচামা গ্রামের ফজলুল হক নামের এক গ্রাহক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে ফজলুল হক অভিযোগ করে বলেন, ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল আমার নিজ গ্রামের একটি ক্ষুদ্র সেচের ছাড়পত্রের জন্য বিএডিসি অফিসে আবেদন করি। কিন্তু হঠাৎ করে ২০১৮ সালের ১৯ জানুয়ারী আমার আবেদনের পাশ্ববর্তী স্থানে একই গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে মোনাহার আলীর নামের এক ব্যক্তিকে ধুনট পল্লী বিদ্যুত অফিসের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা ভূয়া লাইসেন্স তৈরী পর ছাড়পত্র দিয়ে সেচে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়। আমি ছাড়পত্রটি ফটোকপি করে বিএডিসিতে যোগাযোগ করলে তারা একই তারিখে খাদুলী গ্রামের তছের উদ্দিনের ছেলে রফিকুল ইসলামের নামে ওই ছাড়পত্রটি আছে বলে জানায়। যার লাইসেন্স নং ৯৫২/১৭। কিন্তু এবিষয়ে অভিযোগ দেওয়ার পরও তার অবৈধ সেচ সংযোগ চালু রয়েছে। একারনে তিনি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ধুনট পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের অসাধু কর্মকর্তাদের দূর্ণীতির বিরুদ্ধে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তপেক্ষ কামনা করেন।
এবিষয়ে বিএডিসির উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও উপজেলা সেচ কমিটির সচিব মাসরুদুল করিম রানা জানান, মোনাহারুল ইসলাম নামের কোন ব্যক্তিকে বিএডিসি অফিস থেকে কোন লাইসেন্সে দেওয়া হয়নি। তিনি যে লাইসেন্স দিয়ে সেচ সংযোগ নিয়েছেন তার প্রকৃত মালিক খাদুলী গ্রামের রফিকুল ইসলাম। তবে তিনি কিভাবে ভূয়া লাইসেন্সে ছাড়পত্র নিয়ে সেচ সংযোগ পেলেন তা পল্লী বিদ্যুৎ অফিস বলতে পারবেন।
ধুনট পল্লী বিদ্যুতের এজিএম বিজয় কুন্ডু জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর মোনাহারুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির সেচ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। তবে কিভাবে তিনি ভূয়া লাইসেন্সে সংযোগ পেলেন তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন