বগুড়া সংবাদ ডটকম (শিবগঞ্জ প্রতিনিধি রশিদুর রহমান রানা) : পার্শ্ববতী নার্সারী মালিকের পরামর্শক্রমে ৮ হাজার টাকায় ২৬ শতক জমি শন পত্তন নিয়ে ২৬ টাকা দরে ১২৫টি বাউকুল ফলের চারা রোপন। অতঃপর পনের হাজার টাকায় ১ বৎসর পরিচর্যা। তাতেই যেন ভাগ্যবদল হলো বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার কৃষক আবু হাসানের।
উপজেলার শিবগঞ্জর সদর ইউনিয়নের আলাদীপুর গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর পুত্র আবু হাসান গত বছরের জানুয়ারী মাসে ২৬ শতক জমি ৮ হাজার টাকা দিয়ে সন পত্তন নিয়ে পার্শ্ববর্তী এরুলিয়া পাড়ার কৃষি নার্সারীর মালিক আমিনুল ইসলামের পরামর্শক্রমে ২৬ টাকা দরে ১২৫ টি গাছ রোপন করেন তিনি। ১বৎসর যাবৎ গাছগুলো পরিচর্যায় খরচ হয় প্রায় পনের হাজার টাকা। সামান্য এ সময়ের ব্যবধানে তার জমিতে প্রায় ৫০ হাজার টাকার বেশি ফল জন্মেছে। বর্তমানে সে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে অনেকটাই স্বাচ্ছন্দে বসবাস করছে। তার এ সাফল্যে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ বাউকুল ফল চাষে অনুপ্রাণিত হচ্ছেন বলেও জানা যায়। বিভিন্ন এলাকা থেকে থেকে আসা ব্যবসায়ীদের ১ হাজার থেকে পনের ‘শ টাকা দরে তার জমির এ সুমিষ্ঠ বাউকুল ফল পাইকারি বিক্রি করছেন তিনি।
আবু হাসানের এ সাফল্যের ব্যাপারে কথা বললে তিনি উচ্ছাসিত কণ্ঠে বলেন, আলহামদুলিল্লাহ্ বাউকুল চাষে আমি আজ স্বাবলম্বি, সরকারি-বেসরকারি কোন সহযোগিতা পেলে ভবিষ্যতে আরো বৃহৎ আকারে আমার এ চাষ সম্ভব।
তবে কৃষি অফিসের বিরুদ্ধে খানিকটা অভিযোগ করে তিনি বলেন, ফল গাছের ফুল ঝরে যাওয়ার কথা আমি কৃষি অফিসকে জানালে তারা আমার গাছগুলো পরিদর্শন করলেও কোন পরামর্শ না দিয়ে চলে যান। পরে আমি নিরূপায় হয়ে আলুর ঔষধই অন্ধ বিশ্বাসে স্প্রে করি জমিতে। তাতেও আলহামদুলিল্লাহ্ যথেষ্ঠ ফল ধরেছে। ভবিষ্যতে তিনি এব্যাপারে উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের নিকট তার এ চাষের বিষয়ে সহযোগিতা চান তিনি।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন