বগুড়া সংবাদ ডট কম (নন্দীগ্রাম প্রতিনিধি মো: ফিরোজ কামাল ফারুক) : আসছে পবিত্র ঈদুল আযহা। এবারের পবিত্র ঈদুল আযহা কুরবানির ঈদে বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার একটি ষাঁড়ের মূল্য উঠেছে ২ লাখ টাকা। ষাঁড়টি দেখতে প্রতিদিন উৎসুক জনতাসহ ক্রেতারা উপজেলার সদর ইউনিয়নের আলাইপুর গ্রামের সুরুজ সরকারের বাড়িতে ভীড় করছে। সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, এই উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় আকৃতির ষাঁড় এটিই একমাত্র। তবে এই ষাঁড় লালন পালনে কোন ধরনের ভ্যাটেনারী ঔষধ ব্যবহার করা হয়নি বলে ষাঁড় মালিক সুরুজ সরকার জানিয়েছেন। তিনি জানান, আমি দীর্ঘদিন ধরেই গবাদী পশু গরু পালন করে আসছি। দেশী জাতের গাভী পালন করছিলাম। দুই বছর ৩ মাস পূর্বে গাভীটি বাচ্চা জন্ম দেয়। বাচ্চাটি সন্তানের মত লালন পালন করে এতো বড় করেছি। ছোট্র বাচ্চাটি আজ বিশাল আকৃতির ষাঁড়ে পরিনত। বর্তমানে কুরবানির ঈদে আমার বাড়ির ষাঁড়টিই উপজেলার মধ্যে অন্যতম একটি। তিনি বলেন, মাত্র দুই বছরের মধ্যে বিশাল বড় ষাঁড় হবে এমনটি কখনো ভাবিনি। এই ষাঁড়টি লালন পালনে কোন ধরনের ঔষধের প্রয়োজন হয়নি। স্থানীয়রা জানান, দুই দাঁতের ষাঁড়টি দেখতে বড় ধরনের মহিষের মত। দুর থেকে দেখলে মনে হয় হাতি দাড়িয়ে আছে। ষাঁড়টি কিনতে অথবা দেখতে সুরুজের বাড়িতে প্রতিদিন লোকজনের ভীড় জমে।
স্থানীয়রা আরও জানান, সুরুজ অনেক যত্নে ষাঁড়টি বড় করেছে। যে ঘরে ষাঁড়টিকে রাখা হয় সেই ঘরে ফ্যান দেয়া হয়েছে। তবে ষাঁড়ের মূল্য হাকিয়েছে আড়াই লাখ টাকা। ক্রেতারা ২ লাখ টাকা পর্যন্ত দাম বলেছে। এতে সুরুজ ষাঁড়টি বিক্রয়ে রাজি হয়নি।
এদিকে, কুরবানির পশু কিনতে হাট, বাজার, গ্রাম-গঞ্জে, পাড়া, মহল্যায় ক্রেতাদের ভীড় লক্ষণীয়। সাধ্যের মধ্যে পছন্দের কুরবানি ক্রয়ের জন্য স্থানীয় পশুর হাট ও জেলা-উপজেলার পশুর হাটে ভীড় করছেন ক্রেতারা। উত্তরবঙ্গের সর্ববৃহৎ পশুর হাট বসে বগুড়ার নন্দীগ্রাম পৌর শহরের ওমরপুর। এই হাটে বিভিন্ন স্থানের হাজার হাজার ক্রেতাদের আগমন ঘটে।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন