বগুড়া সংবাদ ডটকম (সারিয়াকান্দি প্রতিনিধি রাহেনূর ইসলাম স্বাধীন) : “বড় ভাই কী অবস্থা, তুলে দেন। কী দেবো? আরে ভাই বুঝেন না রাতে দেখমু” কম্পিউটার দোকানী মাথা ঝুকিয়ে বেশকিছু নিউ ফোল্ডার অতিক্রম করে বের করলেন বালকের সেই কাংক্ষিত ভিডিওগুলো তারপর সুপার কপি এ্যাপটি দিয়ে অবলিলায় অষ্টম শ্রেণীতে পড়া বালকের ৪জিবি মেমোরী কার্ডটি পূর্ণ করে দিলো মুহুর্তের মধ্যে। এই ধটনা সারিয়াকান্দি পৌর এলাকার একটি কম্পিউটারের দোকানের ঘটনা।

বর্তমানের ডিজিটাল যুগে আমাদের দেশের তথ্য ও প্রযুক্তি খুব উন্নত, আর এই উন্নত তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভালো কাজের পাশা-পাশি আছে খারাপ কাজও। সারিয়াকান্দি পৌর শহরের অধিকাংশ কম্পিউটারের দোকানে স্বরেজমিনে গিয়ে অনুসন্ধান করে জানা যায়, প্রায় বেশিরভাগ দোকানেই এই সকল পার্ণ ভিডিও ও পিকচার রয়েছে। যেগুলো বেশিরভাগ গ্রাহক স্কুল পড়–য়া ছাত্ররা।

এতে করে বিভিন্ন গ্রামঅঞ্চলে যেমন বাড়ছে ইভটিজিং এর সংখ্যা তেমনই সমাজে এর প্রভাব পড়ছে খুব বেশি। পর্ণগ্রাফি আসক্ত বেশকিছু নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্কুল পড়–য়া ছাত্রদের সাথে কথা হয় এই প্রতিনিধির। এরকমই একজন বলেন, ভাইয়া এগুলা রাতে দেখতে অনেক ভালো লাগে। এতে তাদের খরচ জানতে চাওয়ার এক পর্যায়ে সেই ছাত্র বলে, সাত দিন পর পর নতুন নতুন ভিডিও পাওয়া যায়।

সপ্তাহে ৩০ টাকা করে খরচ পড়ে। তার কাছে আরও জানতে চাওয়া হয় এই টাকা টা তোমরা কোথায় পাও? তার উত্তর ছিলো এক লোমহর্সকর কথা “টিফিনের টাকা থেকে সঞ্চয় করে” এসকল পর্ণ ভিডিও ব্যাবসা বন্ধে স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্শন করে সচেতন সারিয়াকান্দি বাসী বলেন, এরকম চলতে থাকলে সমাজ খুব নিম্ন পর্যায়ে নেমে যাবে।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন