বগুড়া সংবাদ ডট কম (শিবগঞ্জ প্রতিনিধি রশিদুর রহমান রানা) : ঢাকা- রংপুর মহাসড়কের বগুড়ার মোকামতলা ব্যস্ততম বাসষ্ট্যান্ডে অবৈধ দোকান গুলো উচ্ছেদ করা হচ্ছে না দীর্ঘ দিনেও আগত শত শত যাত্রীদের দুর্ভোগের শিকার হতে হয় প্রতি দিন। যাত্রী ও সচেতন মহলের দাবী বাসষ্ট্যান্ডে যাত্রীদের জায়গা দোকান মুক্ত রাখা হোক। উত্তরবঙ্গের জেলার বাস কোচ ও বিভিন্ন যান ও মালামাল পরিবহন গাড়ী ঢাকা সহ দক্ষিন অঞ্চলের যাতায়ত করে মোকামতলার উপর দিয়ে। প্রতিদিন ভোর থেকে মধ্য রাথ পর্যন্ত শত শত বাস কোচ এখানে থেমে এবং যাত্রী উঠানামা করে থাকে। স্থানীয় ভাবে ২টি বাসষ্ট্যান্ড গড়ে উঠেছে। একটি বড় ও অপরটি ছোট বাসষ্ট্যান্ড বলা হয়। তবে ষ্ট্যান্ড ২টিতে কোন যাত্রী ছাউনী নাই। যাত্রীদের দাড়িয়ে থাকার মতো পর্যন্ত জায়গা নাই। বড় বাষ্ট্যান্ডে একটি পাকুড় গাছ আছে। যাত্রীদরে সুবিধার জন্য গত ১০-১১ বছর আগে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নিজ উদ্যোগে গাছটি গোড়া পাকা করে দেন। যাত্রীরা ওই গোড়ায় বসে একটু বিশ্রাম নিতে পারে। গাছের গোড়া সহ বাসষ্ট্যান্ডেও। ফলে যাত্রীরা দাঁড়িয়ে থাকার মতো জায়গা পায় না। বাধ্য হয়ে যাত্রীরা মহাসড়কের উপর ঝুঁকি নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে এবং বাস কোচ উঠানামা করে। বিশেষ করে বৃদ্ধ নারী ও শিশু যাত্রীদের চরম দুভোর্গের শিকার হতে হয়। ষ্ট্যান্ডে অপেক্ষাকৃত যাত্রী ফুল মিয়া (৪০) রাজ্জাক (৩২) বিলকিছ বেগম (২২), নার্গিস বেগম (২৫) বলেন যাত্রীদের জায়গায় স্থাপিত দোকান গুলো উচ্ছেদ করা হলে এতা কষ্ট শিকার করা হতো না। বাস ও কোচের কলা ব্যবসায়ী মজুন (২৫) মিন্টু (৩২) বলেন উপজেলা এসিল্যান্ড স্যার কিছু দিন আগে পর পর ৩ দিন এখানে আসেন এবং দোকান গুলো সরানোর জন্য মালিকদের মৌখিক নির্দেশ দেন। তার পরেও কোন ফল হয়নি। বাস চালক রমজান (২৭) খালেক (২৭) বলেন যাত্রীরা সড়কের উপর দাঁড়িয়ে থাকে এতে করে বাস থামাতেও ভয় হয়। মোকামতলা ইউপি চেয়ারম্যান মোখলেছার রহমান বলেন বন্দরে পৃথক ২টি বাসষ্ট্যান্ডেই ব্যস্ততম প্রতিদিন শত শত যাত্রী বাস ও কোচে উঠানামা করে তাই ষ্ট্যান্ডের জায়গা দোকান মুক্ত রাখা দরকার।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন