bograsangbad_Logoবগুড়া সংবাদ ডট কম (সরিয়াকান্দি প্রতিনিধি রাহেনূর ইসলাম স্বাধীন) : আমরা সরকারি ত্রাণ চাইনা, চাইনা স্থায়ী বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধের নামে প্রহসন! আমরা নদীর চীর শাষণের জন্য চাই যমুনা নদীর খনন। দাবীটি উঠেছে কামালুর, কুতুবপুর, কাজলা, কর্ণিবাড়ি, হাটশেরপুর, বোহাইল, চন্দনবাইশা সহ সকল পানিবন্দী ইউনিয়নের হাজার হাজার অসহায় পরিবারের সদস্যদের। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারিয়াকান্দিতে বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শনে ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ লক্ষে আগমন উপলক্ষে গত বুধবার কামালপুর ইউনিয়নের রৌহদহ বন্যানিয়ন্ত্রন বাঁধের লোকজনের সাথে আলাপ চারিতায় এ কথাগুলোই উঠেছে আসে। তারা বলেন, এটা শুধু আমাদের একারই এ দাবী উপজেলার সকল পানিবন্দী ইউনিয়ের আবাল-বৃদ্ধার সকলের চাওয়া-পাওয়ার দাবী। তাদের গণমাধ্যমকে তাদের চাওয়া পাওয়ার কথা হিসেবে যমুনা নদীর স্থায়ী শাষণ কল্পে যমুনা নদী খননের জন্য প্রধানমন্ত্রী ও কতৃপক্ষের কাছে দাবী জানান। যমুনা নদী খনন করা হলে নদীর নাব্যতা ফিরে আসবে। বন্যার সময় অতিরিক্ত পানি যমুনার কূল উপচিয়ে না যেয়ে নদী দিয়েই বাঙ্গপোসাগরে পতিত হবে। কুতুবপুর ইউনিয়নের ছোট কুতুবপুর ইউনিয়ের একাধিক ব্যক্তি আবেগের ভাষায় বলেন, আমাদের মাথা গোঁজানোর ঠাই না থাকলে কিসের খাওয়া, কিসের পরা! সারাদিন হারভাঙ্গা পরিশ্রম করে রাতের বেলায় যদি আশ্রয়হীন অতিথি পাখির মতো আকাশের নিচে চেয়ে থাকতে হয় তাহলে তার জীবনে সুখ বলে কি আছে ? আর আমাদের যদি আশ্রয়ের সুঃব্যবস্থা থাকত তাহলে না খেয়েও বাল-বাচ্চা, বাবা-মা ও স্ত্রী পরিজন নিয়ে রাতের আঁধারে নারীপোতা মাটিতে শান্তিতে ঘুমাতে পারতাম। সর্বনাশা যমুনা নদী আমাদের সব কিছু কেড়ে নিয়ে কাউকে করেছে ভুমিহীন, কেউবা গবাদী পুশু, আবাদী জমি এমন কি মাথা গোঁজানোর ঠাঁই টুকুও হারিয়ে স্বর্বশান্ত ও নিঃশস্ব হয়ে গেছে। বন্যার সময় সরকারিভাবে ত্রাণ বিতরণ করে সার্বিক সহযোগীতা করা হলেও আমাদের দুঃখ ঘোচবার মতো নয়। এজন্য আমরা নদীর স্থায়ী শাষণ চাই। নদীর স্থায়ী কাজ হলে আল্লাহ যতটুকু রেখে গেছেন সে টুকুতেই হার ভাঙ্গা পরিশ্রম করে সংসার গোছানোর চেষ্টা করব। এজন্য আমরা বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে উপজেলার সকল পানিবন্দী পরিবারের দাবী আমরা যমুনার স্থায়ী কাজ হিসেবে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের সাথে যমুনা নদী খনন চাই। ইতোমধ্যে বগুড়া-১ আসনের সাংসদ আব্দুল মান্নান স্থায়ীভাবে নদী শাষনের কাজ হাতে নিয়েছেন এবং কাজ করে যাচ্ছেন। সারিয়কান্দিতে প্রধানমন্ত্রীর শুভাগমনে তার আগমনে সারিয়াকান্দিতে সাজ সাজ রব পড়েছে। তার আগমনে কেন্দ্র করে এলাকার অনেক উন্নয়নমূলক কাজও হচ্ছে। যা দীর্ঘ প্রতিক্ষার পরও স্থানীয় প্রোকৈশল বিভাগ হাতে নেয়নি।

 

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন