বগুড়া সংবাদ ডট কম (কাহালু প্রতিনিধি এম এ মতিন) : বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। অসংক্ষ্য মা-বোনের ইজ্জত ও লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতার নতুন সূর্য্য ছিনেয়ে আনতে হয়েছে। দেশ আজ স্বাধীন। স্বাধীনতা যুদ্ধের অনেক গৌরবময় কাহিনী ও নারকীয় হত্যাকান্ড কিংবদন্তি হয়ে অতীত গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। স্বাধীনতার ইতিহাসে দেশের অন্যান্য থানার মতো বগুড়া জেলার কাহালু থানাতেও এমনি অনেক লোমহর্ষক করুণ ইতিহাস রয়েছে। এসব খন্ড খন্ড কাহিনীর মধ্যে দিয়ে বগুড়ার কাহালু থানা হানাদার মুক্ত হয়। কাহালু উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার নজিবর রহমান ও মোজাম্মেল হক সহ অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধারা জানান, ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাস থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত অত্র উপজেলার বামুজা, জয়তুল, নশিরপাড়া বীরপালা সহ বিভিন্ন স্থানে পাকসেনাদের সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মুখ ও খন্ড খন্ড যুদ্ধ হয়। এরপর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধের মুখে বগুড়ার বিভিন্ন অঞ্চলে পাকসেনারা দিশেহারা হয়ে পড়ে। অবশেষে মেজর জাকির, কর্নেল তোজাম্মেল সহ প্রায় ১৬ জন পাকসেনা ১৩ ডিসেম্বর সকালে বগুড়া থেকে পালিয়ে এসে কাহালু চারমাথায় যুদ্ধকালীন মুজিব বাহিনীর কমান্ডার কাহালুর জামগ্রাম ইউনিয়নের পানাই গ্রামের টগবগে যুবক বীরমুক্তিযোদ্ধা কাহালু বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মরহুম আলহাজ্ব হোসেন আলীর কাছে অস্ত্র সহ আর্ত্ন সমর্পন করেন। বীর মুক্তিযোদ্ধারা বীরত্বের সাথে পাক-হানাদারদের সাথে লড়াই করে স্বাধীনতার ৩ দিন আগে ১৯৭১ইং সালের ১৩ ডিসেম্বর কাহালু থানাকে হানাদার মুক্ত করতে সমক্ষ হয়েছিলেন।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন