বগুড়া সংবাদ ডটকম (শেরপুর সংবাদদাতা কামাল আহমেদ) : গ্রীন ফায়ার হাইব্রীড জাতের মরিচ চাষ করে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা। আগাম এই জাতের মরিচ চাষ করে বাজারে দামও বেশি পাচ্ছেন তারা।
ধুনট উপজেলার নিমগাছী ইউনিয়নের ফরিদপুর গ্রামের চাষী মোঃ এনামুল হক জানান, গত বছর তিনি ১২ শতাংশ জমিতে গ্রীন ফায়ার জাতের মরিচ চাষ করে ৬০ হাজার টাকা লাভ করেছিলেন। তাই এ বছর তিনি ২২ শতাংশ জমিতে এই মরিচ চাষ করেছেন। তিনি জানান,এ বছর ফলন ও দাম বেশি তাই লাভও বেশি হবে।
আরেক মরিচ চাষী রাজু মন্ডল জানান, তিনি ৫ শতাংশ জমিতে গ্রীন ফায়ার জাতের চাষ করেছেন। তার মোট খরচ হয়েছে ৫ হাজার টাকা। তিনি প্রথমবার ২ মণ মরিচ তুলে ৩ হাজার ৩’শ টাকা মণ দরে বিক্রি করে ৬ হাজার ৬’শ টাকা আয় করেছেন। ১০ দিন পর পর ঐ জমি থেকে মরিচ তোলা যায়। গাছের অবস্থা ভাল থাকলে ঐ জমি থেকে আরো ৫০ হাজার টাকার মরিচ বিক্রির আশা করছেন বলে তিনি জানান।
গেটকো এগ্রোভিশন লিমিটেড উদ্ভাবিত গ্রীন ফায়ার জাতের মরিচ ও সবজি প্রদর্শনী মাঠ দিবস গত ৫ ডিসেম্বর মঙ্গলবার ধুনট উপজেলার নিমগাছী ইউনিয়নের ফরিদপুর মাঠে অনুষ্ঠিত হহয়। প্রবীন শিক্ষক মোঃ আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন,জেনারেল ম্যানেজার (সেলস এন্ড মার্কেটিং) কৃষিবিদ গোলাম মোর্শেদ ফারুক। বিশেষ অতিথি ছিলেন গ্রীন ফায়ার জাতের মরিচের উদ্ভাবক ও গেটকো এগ্রোভিশন লিমিটেডের প্রিন্সিপাল প্লান্ট ব্রিডার কৃষিবিজ্ঞানী এ জেড এম খোরশেদ আলম চৌধুরী বাবলা। বক্তব্য রাখেন, বীজ ডিলার ইঞ্জিনিয়ার রোকন তালুকদার, মহিদুল হাসান ডন, ট্রেনিং এন্ড প্রডাক্ট ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার মোঃ জহুরুল ইসলাম, এরিয়া ম্যানেজার মোঃ শামীম আল মামুন, মার্কেটিং অফিসার মোঃ আল আমিন,মোঃ জাহিদুল হক, কৃষক রাজু মন্ডল ও এনামুল হক।
মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে সংশ্লিস্টরা জানান, রোপনের ৬০ দিনের মধ্যে ফল পাওয়া যায়। আগাম এবং উচ্চতাপ সহনশীল তাই প্রায় ৮ মাস পর্যন্ত ফল পাওয়া যায়। প্রতি ৭ দিন পরপর জমি থেকে মরিচ তোলা যায়। প্রতি বিঘায় কাঁচা মরিচের ফলন প্রায় ১৮০ থেকে ২০০ মণ।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন