বগুড়া সংবাদ ডট কম (আদমদীঘি প্রতিনিধি সাগর খান) : বগুড়ার আদমদীঘিতে স্ত্রীকে ফিরে পেতে ঘুমন্ত বাবা- মাকে আগুনে পুড়িয়ে ছিলেন জন্মদাতা পুত্র ওয়াহেদুল ইসলাম। ঘটনার দিনেই বাবা আব্দুল হামিদ মারা গেলেও দগ্ধ মাতা হাফসা বেগম মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে গত সোমবার দুপুরে ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালে বার্ণ ইউনিটে মারা যান। মামলার তদন্তকারী অফিসার এস আই সাম মোহাম্মদ মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করে বলেন, হত্যাকারী ছেলে ওয়াহেদুল ইসলাম বর্তমানে জেল হাজতে রয়েছে।
উল্লেখ্য,বগুড়ার নন্দীগ্রামের উপজেলার আগাপুর গ্রামের আব্দুল হামিদ আদমদীঘির কুশাবাড়ী গ্রামের ময়েজ উদ্দীনের মেয়েকে বিয়ে করে স্ত্রী ও ২ পুত্র সন্তান নিয়ে শ্বশুড় বাড়ীতে দীর্ঘ প্রায় ১৪/১৫ বছর যাবত বসবাস করে আসছে। নিহতের ছেলে ওয়াহেদুল ইসলাম তার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী কে পুনরায় ফিরে আনতে চায়। বাবা মা রাজি না হওয়ায় গত ৯ নভেম্বর রাতে ঘুমন্ত বাবা-মায়ের শরীরে কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়। ঘটনাস্থলে বাবা আব্দুল হামিদ আগুনে পুড়িয়ে মারা যায় এবং মা হাফসা দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকে। ঘটনার ২৪ দিন পর দদ্ধ মা গত সোমবার মারা যান। ঘটনার সময় গ্রেফতারকৃত ওয়াহেদুল ইসলাম এই হত্যাকান্ডে ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীরোক্তি দিয়ে ছিলেন। নিহতের বড় ছেলে শাহাজাহান বাদী হয়ে আদমদীঘি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন