বগুড়া সংবাদ ডটকম (নামুজা প্রতিনিধি,আনোয়ার হোসেন) ঃ বগুড়ার নামুজা-বুড়িগঞ্জসহ ৫টি ইউনিয়নের ওলি গলিতে গড়ে উঠা, অবৈধ এনজিও’র ছড়া ছড়ি, প্রতারিত হচ্ছে অনেকে। অনুসন্ধানে জানা যায়, বগুড়ার নামুজা, বুড়িগঞ্জ, মাঝিহট্ট, পিরব ও পাইকড় ৫টি ইউনিয়নের ৩০-৪০ টি নতুন পুরাতন বন্দর হাট বাজার এলাকায় রাতের আধারে ওলি গলিতে, এক শ্রেণীর অসাধু দাদন ব্যবসায়ীরা গঠে তুলেছে এনজিওর অফিস। এসব দাদন ব্যবসায়ীরা নিজেকে সমাজে বৃত্তবান ও অর্থ লোভের লক্ষমাত্রা নিয়ে সরকারি আইনকে তোয়াক্কা না করে, দিদারছে চালিয়ে যাচ্ছে এনজিও নামধারী এসব দাদন ব্যবসা। সূত্র আরও জানায়, প্রথমে স্ব-স্ব এলাকার কয়েক জন টাউট প্রকৃতির দাদন ব্যবসায়ী একত্র হয়ে সমাজসেবা মূলক এনজিওর নাম নিদ্ধারন করে। এরপর নামে মাত্র একটি পরিবারতন্ত্র পরিচালনা কমিটি গঠন করে। মার্কেটের অলি গলিসহ বিভিন্ন স্থানে ঘড় ভাড়া নিয়ে আকর্শনীয় সাইন বোর্ড লাগায়। সমাজে বেহাপনা প্রকৃতির কিছু চিহ্নিত যুবক-যুবতীকে ম্যানেজার মাঠকর্মিসহ বিভিন্ন পদবী দিয়ে মোটা অংকের টাকা জামানত নিয়ে চাকুরীতে নিয়োগ দেয় হয়। আবার কোন কোন এনজিও সাইন বোর্ড ও পাশ বইয়ে ‘গণ প্রজাতন্ত্রিক বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত’ এছাড়াও এসব এনজিও নামধারী দাদন ব্যবসায়ীরা পাশ বইয়ে আকর্শনীয় টাকার ছবি ব্যবহার করে আসছে। আবার কেউ কেউ ধর্মপ্রাণ মানুষকে আকৃষ্ট করার জন্য আরবী লেখাসহ বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করে আসছে। এছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি ছাড়াই মেয়াদী টাকা গ্রহন, ডিপিএস আমানত এর মত স্কিম পরিচালনা করার ঘটনা অহরহ ঘটছে। সবমিলিয়ে এসব এনজিও নামধারী দাদন ব্যবসায়ীদের প্রতি সরকারি সংশি¬ষ্ট কর্তপক্ষের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন সচেতন মহল।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন