বগুড়া সংবাদ ডট কম (মহাস্থান প্রতিনিধি এস আই সুমন) : জামাইকে শ্বশুর বাড়ীতে ডেকে মধ্যযুগীয় কায়দায় অমানষিক নির্যাতন হাসপাতালে ভর্তি, থানায় অভিযোগ।
বগুড়া সদর থানার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বগুড়া সদরের লাহিড়ী পাড়া ইউনিয়নের রোকন গাড়ী গ্রামের মৃত বিরাজ উদ্দিনের পুত্র আ: রশিদ রুবেল একই উপজেলার পলাশ বাড়ী পূর্ব পাড়া গ্রামের হোসেন আলীর মেয়ে রিতা বেগমকে প্রায় ১৫/১৬ বছরপূর্বে বিয়ে করে। তার ঘরে ১১ ও ৫ বছরের ২ জন পুত্র সস্তান রয়েছে। গত২/৩ বছর পূর্ব থেকে রিতা রুবেলের সংসার না করার জন্য বাবার বাড়ী বেড়াতে যেয়ে আসতে চায় না। তার মোহরানার টাকা পরিশোধ থাকা সত্বেও আবারও মোটা অংকের মোহরানা বেধে রুবেলকে তার শ্বশুর বাড়ীর লোকজন জোর করে ৫ লক্ষ টাকার মোহরানা করে রেজি: করে। মোহরানা পরিশোধের জন্য ৫ লক্ষ টাকা অথবা জমি দলিল করে দেয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে থাকে। এতে রুবেল রাজি না হওয়ায় গত ২০ নভেম্বর ১৭ ইং তারিখে বগুড়া যাওয়ার পথে রুবেলকে তার শ্বশুড় বাড়ীর লোকজন ধরে নিয়ে যেয়ে বিকাল ৫ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত মধ্যযুগীয় কায়দার হাত পা বেধে রেখে শরীরের বিভিন্ন স্থানে বেধড়ক মারপিট করে বাম পা ও বাম হাত ভেঙ্গে দিয়ে রাত অনুমান সাড়ে নয়টায় গোকুল ইউনিয়ন পরিষদে রেখে আসে। এঘটনা রুবেলের বড় ভাই আ: করিম জানতে পেরে ঐ রাতেই বগুড়া সদর থানায় একটি অভিযোগ দিয়ে রুবেলকে উদ্ধার করে বগুড়া মোহাম্মাদ আলী হাসপাতালে ভর্তি করে দেয় এবং ২১/১১/১৭ ইং তারিখে সে বাদী হয়ে (১) হোসেন আলী (৬০) পিতা মৃত একাব্ব আলী (২) রাশেদুল ইসলাম রাসু (২৮), পিতা হোসেন আলী, উভয়ের সাং পলাশবাড়ী পূর্বপাড়া, (৩) আ: রহিম (৩২), পিতা হবিবুর রহমান, (৪) খলিলুর রহমান, পিতা মৃত হায়দার আলী, উভয়ের সাং পলাশবাড়ী উত্তর পাড়া,(৫) শাহজাহান আলী(৪৮), পিতা মৃত একাব্বর আলী, সাং পলাশবাড়ী পূর্বপাড়া, সর্ব থানা ও জেলা বগুড়া গণ সহ অজ্ঞাত ৫/৬ জনকে আসামী করে একটি অভিযোগ দায়ের করে। রুবেলসহ তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যগণ নিরাপত্তাহীনতা ও আতংকে ভুগছে। আবারও তাদের দ্বারা হামলার আশংকা করছে। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য রুবেল ও তার পরিবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবী জানান।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন