বগুড়া সংবাদ ডট কম (সারিয়াকান্দি প্রতিনিধি রাহেনূর ইসলাম স্বাধীন) :জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ইউনেস্কোর ‘ইন্টারন্যাশনাল মেমোরি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড রেজিস্টার’ এ অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে ‘বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্যের’ স্বীকৃতি লাভ করায় সারিয়াকান্দির ফুলবাড়ীতে আনন্দ শোভাযাত্রা ও শিক্ষার্থী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেলা দেড়টায় সারিয়াকান্দির ফুলবাড়ী গমির উদ্দিন বহুমুখী স্কুল এন্ড কলেজের উদ্যোগে আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়। ফুলবাড়ী বন্দর এলাকায় শোভাযাত্রা প্রদক্ষিণ শেষে প্রতিষ্ঠান চত্বরে শিক্ষার্থী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি (বাকশিস) রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোট বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ মোকছেদুল আলম, বগুড়া প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি আব্দুস সালাম বাবু। এসময় উপস্থিত ছিলেন ভোকেশনাল শিক্ষক সমিতি বগুড়া জেলা সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব, শিক্ষক প্রতিনিধি আব্দুস ছালাম, তাকসিম আকতার, আব্দুল ওয়াহেদ, প্রতিষ্ঠানের শিক আব্দুল মান্নান, আনোয়ারুল ইসলাম, তপন কুমার, তাহেরুল ইসলাম, রেজা আহম্মেদ, সুলতান মাহমুদ, শহিদুল ইসলাম, সাহাদত জামান, আব্দুল হালিম, মমতাজ বেগম, হোসনে আরা, মিনা বেগম, তাছলিমা, আরিফ, আতিক, সোহেল রানা, বদিউজ্জামান মিলন, মশিউর রহমান, মোফাজ্জল হোসেন মায়া, মৌসুমী, লতিয়া ইয়াসমিন, আল আমিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে অধ্যক্ষ মোকছেদুল আলম বলেন, ঐতিহাসিক ৭ মার্চ বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের এক অনন্য দিন। জাতির পিতার এই ভাষণের দিকনির্দেশনাই ছিল সে সময় বজ্রকঠিন জাতীয় ঐক্যের মূলমন্ত্র। অসীম ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অমিত শক্তির উৎস ছিল এ ঐতিহাসিক ভাষণ। দীর্ঘদিনের আপসহীন আন্দোলনের এক পর্যায়ে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চে রেসকোর্স ময়দানে বিশাল জনসমুদ্রে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন। ৭ মার্চ তাঁর উদ্দীপ্ত ঘোষণায় বাঙালি জাতি পেয়ে যায় স্বাধীনতার দিক-নির্দেশনা। এরপরই দেশের মুক্তিকামী মানুষ ঘরে ঘরে চূড়ান্ত লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন