বগুড়া সংবাদ ডট কম : বগুড়ায় র‌্যাব পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালত গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ক্লিনিক, ওষুধের দোকান ও বেকারী দোকানে অভিযান চালিয়ে ১৪ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমান আদায় করেছে।
শহরের রহমাননগরের সিটি ক্লিনিক, কানুচগাড়ীর শুভেচ্ছা ক্লিনিক এন্ড ডায়গনষ্টিক সেন্টার, ঠনঠনিয়ার আস্থা ক্লিনিক, আকবরিয়া বেকারীর বিসিক কারখানা ও কানুছগাড়ীর ফাতেমা ফার্মেসীতে অভিযান চালাতে দেখা যায়। এসময় ভ্রাম্যমান আদালতের সাথে পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি, ড্রাগস সুপারের প্রতিনিধি, বিএসটিএর প্রতিনিধিসহ অন্যান্য সংস্থার কর্মকর্তাদের দেখা যায়। অভিযাকালে র‌্যাব-১২ এর সদস্যরা সার্বক্ষনিক ভ্রাম্যমান আদালতকে সহযোগীতা করে।
র‌্যাব সদর দপ্তরের আইন কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ গাউছুল আযম বলেন, সিটি ক্লিনিকের এক্স-রে রুমের দরজা প্লাষ্টিকের ছিল। এক্স-রে রুমের জন্য ওই দরজা নিয়মতান্ত্রিকভাবে প্রজোয্য নয়। তাই ওই ক্লিনিকের ৩ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। শুভেচ্ছা ক্লিনিকের ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের অনুমতি অনেক আগেই শেষ হয়ে গিয়েছে। তারপরও সেখানে অপরিস্কার জায়গায় মেয়াদোত্তীর্ন কেমিকেল দিয়ে পরীক্ষার কাজ চালানো হচ্ছিল। ওই প্রতিষ্ঠানের জরিমান আদায় করা হয়েছে ৫ লাখ টাকা। আস্থা ক্লিনিকও নিয়মবহির্ভুতভাবে পরিচালিত হওয়ায় ২ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। আকবরিয়া বেকারীতে বিএসটিআই এর অনুমতি ছাড়াই কয়েকটি পণ্য তৈরী করার প্রমান পাওয়ায় ৪ লাখ টাকা জরিমান আদায় করা হয়েছে। এছাড়াও অনুমতি ছাড়াই বিদেশী ওষুধ দোকান জাত করে বিক্রির কারনে ফাতেমা ফার্মেসীর জরিমানা আদায় করা হয় ২০ হাজার টাকা।
তিনি আরো জানান, ভ্রাম্যমান আদালত র‌্যাব-১২ এর সহযোগীতায় পরিচালিত হয়। অভিযানকালে পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি, ড্রাগস সুপারের প্রতিনিধি, বিএসটিএর প্রতিনিধিসহ অন্যান্য সংস্থার কর্মকর্তারা সহযোগীতা করেন।
বগুড়ায় র‌্যাব এর নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ভ্রাম্যমান আদালতের
মাধ্যমে ১৪ লাখ ২০ হাজাার টাকা জরিমান আদায় করলো
স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ায় র‌্যাব পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালত গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ক্লিনিক, ওষুধের দোকান ও বেকারী দোকানে অভিযান চালিয়ে ১৪ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমান আদায় করেছে।
শহরের রহমাননগরের সিটি ক্লিনিক, কানুচগাড়ীর শুভেচ্ছা ক্লিনিক এন্ড ডায়গনষ্টিক সেন্টার, ঠনঠনিয়ার আস্থা ক্লিনিক, আকবরিয়া বেকারীর বিসিক কারখানা ও কানুছগাড়ীর ফাতেমা ফার্মেসীতে অভিযান চালাতে দেখা যায়। এসময় ভ্রাম্যমান আদালতের সাথে পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি, ড্রাগস সুপারের প্রতিনিধি, বিএসটিএর প্রতিনিধিসহ অন্যান্য সংস্থার কর্মকর্তাদের দেখা যায়। অভিযাকালে র‌্যাব-১২ এর সদস্যরা সার্বক্ষনিক ভ্রাম্যমান আদালতকে সহযোগীতা করে।
র‌্যাব সদর দপ্তরের আইন কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ গাউছুল আযম বলেন, সিটি ক্লিনিকের এক্স-রে রুমের দরজা প্লাষ্টিকের ছিল। এক্স-রে রুমের জন্য ওই দরজা নিয়মতান্ত্রিকভাবে প্রজোয্য নয়। তাই ওই ক্লিনিকের ৩ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। শুভেচ্ছা ক্লিনিকের ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের অনুমতি অনেক আগেই শেষ হয়ে গিয়েছে। তারপরও সেখানে অপরিস্কার জায়গায় মেয়াদোত্তীর্ন কেমিকেল দিয়ে পরীক্ষার কাজ চালানো হচ্ছিল। ওই প্রতিষ্ঠানের জরিমান আদায় করা হয়েছে ৫ লাখ টাকা। আস্থা ক্লিনিকও নিয়মবহির্ভুতভাবে পরিচালিত হওয়ায় ২ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। আকবরিয়া বেকারীতে বিএসটিআই এর অনুমতি ছাড়াই কয়েকটি পণ্য তৈরী করার প্রমান পাওয়ায় ৪ লাখ টাকা জরিমান আদায় করা হয়েছে। এছাড়াও অনুমতি ছাড়াই বিদেশী ওষুধ দোকান জাত করে বিক্রির কারনে ফাতেমা ফার্মেসীর জরিমানা আদায় করা হয় ২০ হাজার টাকা।
তিনি আরো জানান, ভ্রাম্যমান আদালত র‌্যাব-১২ এর সহযোগীতায় পরিচালিত হয়। অভিযানকালে পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি, ড্রাগস সুপারের প্রতিনিধি, বিএসটিএর প্রতিনিধিসহ অন্যান্য সংস্থার কর্মকর্তারা সহযোগীতা করেন।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন