বগুড়া সংবাদ ডট কম (শেরপুর সংবাদদাতা কামাল আহমেদ) : ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে গত ১২ নভেম্বর রাজধানীর সরোয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির সমাবেশে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহীনর শত বাধা উপেক্ষা করে মানুষের ঢল দেখে অবৈধ আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারের এমপি মন্ত্রীদের মাথায় হাত পড়েছে। সরকার বিএনপির জনপ্রিয়তা দেখে নড়ে চড়ে বসেছে। ১২ নভেম্বর সমাবেশ সফল করার মধ্য দিয়ে নিরব বিপ্লব ঘটেছে। সাবেক প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভাষন কোন গণমাধ্যমে প্রচার করতে দেয়া হয়নি। এতে প্রমান হয় আওয়ামীলীগ সরকার গণমাধ্যমের টুটি চেপে ধরেছে, জনগণের স্বাধীন মতামত প্রকাশে বাধা সষ্টি করছে এমনকি দেশের মানুষের অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে। আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে কোন উন্নয়ন হয়নি তার প্রমান সামান্য বৃষ্টিতে ঢাকা সহড়ে গাড়ীর বদলে নৌকা চলাচল করে, গুম, খুন, হত্যা ধর্ষন বেড়েই চলছে। বিদ্যুৎ, গ্যাস, চাল, ডাল, তেল থেকে শুরু করে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রীর মূল্য দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বেড়েই চলছে এই হল সড়কারে উন্নয়ন!
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রস্তাব মেনে নিয়ে নির্বাচন কালীন সময়ে সহায়ক সরকারের গঠনের মাধ্যমে আগামী জাতীয় নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। তা না হলে গত ৫ জানুয়ারীর মত ভোট বিহীন নির্বাচন হতে দেয়া হবে না এমনকি দেশের জনগণ দ্বিতিয়বার মেনে নেবে না। বিএনপি জনগণকে সাথে নিয়ে বৃহত্তর আন্দোনের মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার আদায়ের মধ্য দিয়ে সরকারের পতন নিশ্চিত করবে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে শিক্ষিত বেকারদের ভাতা প্রদান করা হবে।
১৪ নভেম্বর মঙ্গলবার সন্ধা সাড়ে ৬ ঘটিকায় উপজেলার শাহবন্দেগী ইউনিয়নের বিএনপির উদ্যোগে বাগড়া চেকপোতা গ্রামে গণসংযোগ ও সুধী সমাবেশে এমন বক্তব্য দেন জানে আলম খোকা। বক্তরা আওয়ামীল সরকারকে চ্যালঞ্জ দিয়ে বলেন যদি সাহস থাকে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিন। দেখবেন আপনারা ২৫টি আসনও পাবেন না। ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল মোন্নাফ আকন্দের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির উপদেষ্ঠা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক জানে আলম খোকা, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কে এম মাহবুবার রহমান হারেজ, জেলা বিএনপির অন্যতম সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবলু, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব পিয়ার হোসেন পিয়ার, শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম পান্না, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আরিফুর রহমান মিলন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হাসানুল মারুফ শিমুল, শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মতি, মাহমুদুল হাসান লিটন, শাহাবুল করিম, এজিএস সেলিম, আব্দুর রাজ্জাক, আশরাফুদ্দৌলা মামুন, অশোক মাহমুদ রোমান, শ্রমিক নেতা প্রবাসি আব্দুস সালাম, মিষ্টার, পাটোয়ারী সালাম, জাকারিয়া মাসুদ, মির্জা নজরুল ইসলাম, জাহিদুর রহমান ময়াদন, শহিদুল ইসলাম, আইয়ুব আলী, ফরহাদ হোসেন, আসিফ, নুরনবী, আরমান আলী, মামুনুর রশিদ আপেল, ইমন, সাদ্দাম হোসেনসহ বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নের্তৃবৃন্দ।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন