বগুড়া সংবাদ ডটকম (শেরপুর প্রতিনিধি রায়হানুল ইসলাম) : বগুড়ার শেরপুরের রনবীরবালা ঘাটপাড় এলাকায় সরকারী খাস সম্পত্তির উপরে অবৈধভাবে বাড়ি নির্মান ও সওজের মাস্টার ড্রেনের মুখে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ শহরের ময়লা আবর্জনার স্তুপ ফেলার কারনে প্রতিবন্ধবকতার সৃষ্টি হওয়ায় করতোয়া নদীর উপরের আরসিসি ব্রিজসহ রাস্তাটি হুমকির মুখে পড়েছে।
সরেজমিনে জানা যায়, শেরপুর ১ম শ্রেণীর পৌর শহরের পানি নিস্কাশনের জন্য রনবীরবালা ঘাটপাড় এলাকা পর্যন্ত সড়ক ও জনপদের অর্থায়নে নির্মিত মাস্টার ড্রেনের মাধ্যমে করতোয়া নদীতে ফেলায় স্বাভাবিকভাবে পানি নিস্কাশনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়েছে। সেই ড্রেনের মাথায় দীর্ঘদিন ধরে শেরপুর পৌর কর্তৃপক্ষ ময়লা আবর্জনা ফেলা ও বাড়ি নির্মান বসবাস করার ফলে শেরপুর-ধুনট ও কাজিপুর সড়কের একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম করতোয়া নদীর ওপরের ব্রিজটি বর্তমানে হুমকির মুখে রয়েছে। এই আরসিসি ব্রিজটি ভেঙ্গে পড়লে বগুড়া-সিরাজগঞ্জের তিন উপজেলার প্রায় ৮ লক্ষাধিক মানুষের স্বাভাবিক চলাচলে চরম দুর্ভোগে পড়তে হবে। তাছাড়া ওই ব্রীজ সংলগ্ন রাস্তায় আবর্জনা ফেলার কারনে পচা দুর্গন্ধে প্রাকৃতিকভাবে নিঃশ্বাস গ্রহনসহ নাকেমুখে হাত ও কাপড় দিয়ে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ চলাচল করছে সাধারণ পথচারীরা।
এলাকাবাসী জানান, ওই ব্রিজের পাড়ে ইঞ্জিল ও শাহনাজ খাতুন নামের দুই পরিবার অবৈধভাবে বাড়ি নির্মান করে বসবাস করায় সড়ক ও জনপদ বিভাগ নির্মিত ওই মাষ্টার ড্রেনের মুখও বন্ধ হওয়ার পথে।
তাছাড়া ওই ড্রেনের মুখ দিয়ে পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা করার কারনে যেমন ব্রিজটি হুমকির মুখে পড়ছে। তেমনি মুখটি বন্ধ হয়ে গেলে বর্ষাকালে সকল পৌরবাসীকে বেশ ভোগান্তিতে পরতে হবে। তবে ওই ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও ময়লা আবর্জনা সংক্রান্ত সমস্যাগুলো নিয়ে পৌর কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও অবহেলা রয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
এ প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফিরোজ আহম্মেদ জুয়েল বলেন, ওই মাস্টার ড্রেনটি পৌরসভার নয়, ওটা সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগের। তবে ড্রেনের পাইপটি ভেঙ্গে যাওয়ায় চরম সমস্যা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে শেরপুর পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব আব্দুস সাত্তার বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি তবে সরেজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন