বগুড়া সংবাদ ডটকম (আদমদীঘি প্রতিনিধি সাগর খান) : পাষন্ড সন্তানের হাতে বাবা কে আগুনে পুড়িয়ে মরতে হলো আর দগ্ধ হয়ে মা বগুড়া শজিমেক হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে যন্ত্রনায় কাতর। আদমদীঘির কুশাবাড়ী গ্রামের কৃষক বৃদ্ধ বাবা আব্দুল হামিদ কে পুড়িয়ে হত্যা ও দগ্ধ মা হাফসা বিবি মরন যন্ত্রনায় হাসপাতালের বেডে ছটফট করছে। পিতাকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার দায় স্বীকার করলো পাষন্ড খুনি পুত্র ওয়াহেদুল। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে শাহজাহান বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন। আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ আবু সায়িদ মোঃ ওয়াহেদুজ্জামান বলেন, মামলা দায়েরের কথা নিশ্চত করে বলেন, দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর হত্যার দায় স্বীকার করেন আসামী ওয়াহেদুল।
উল্লেখ্য,বগুড়ার নন্দীগ্রামের উপজেলার আগাপুর গ্রামের আব্দুল হামিদ আদমদীঘির কুশাবাড়ী গ্রামের ময়েজ উদ্দীনের মেয়েকে বিয়ে করে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে শ্বশুড় বাড়ীতে দীর্ঘ প্রায় ১৪/১৫ বছর যাবত বসবাস করে আসছে। হামিদের ছোট ছেলে ওয়াহেদুল ইসলামকে ৫/৬ বছর পূর্বে গজারিয়া গ্রামের আব্দুর রহিমের মেয়ে মর্জিনা বেগমের সাথে বিয়ে দেয়। বিয়ের পর থেকে ওয়াহেদুল স্ত্রীর সাথে বুনিবনা না হওয়ায় গত ৩/৪ মাস পূর্বে ওয়াহেদুল তার স্ত্রী মর্জিনাকে মৌখিক ভাবে তালাক প্রদান করেন। এরপর স্ত্রীকে পুনরায় সংসারে ফিরে নিতে কয়েক দফা বৈঠক বসে। ওয়াহেদুল বাবা আব্দুল হামিদ তাতে রাজি হয় না। গত ৯ নভেম্বর রাত ১ টার সময় নিহত হামিদের স্ত্রীর চিৎকার শুনতে পেয়ে প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে এসে দেখতে পায় হামিদ আগুনে পুড়িয়ে মারা গেছে এবং তার স্ত্রী হাফছা বিবি দগ্ধ অবস্থায় ছটফট করছে।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন