বগুড়া সংবাদ ডট কম : রবিবার বগুড়া প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক সাজেদুর রহমান শাহিন অভিযোগ করে বলেন, কয়েক দিন যাবত বগুড়া পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও তার সন্ত্রাসি বাহিনী বিনা কারনে আমি সাজেদুর রহমান শাহিন যুগ্ম সাঃ সম্পাদক জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও নির্বাচিত চেয়ারম্যান খরনা ইউনিয়ন পরিষদ শাজাহানপুর বগুড়া ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আরেক যুগ্ম সাঃ সম্পাদক ও সোনাতলার পাকুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান জুলফিকার রহমান শান্ত সহ আমাকে হত্যার হুমকি প্রদান করে আসছে এরি ধারা বাহিকতায় গত ০৩ নভেম্বর রাত্রি ১০ টার দিকে আমার ও শান্তর সেউজগারিস্থ বাসভবনে কাউন্সিলার ও তার সন্ত্রাসি বাহিনী হামলা চালিয়ে দরজা জানালায় ব্যাপক ধাক্কা ধাক্কি করে এবং বাসা থেকে বের হতে বলে। আমরা বের না হওয়াই হত্যার হুমকি প্রদান করে চলে যায়। হঠাৎ করে তার এমন আচারনে আমরা হতভম্ব হয়ে পড়ি। এমতাবস্থায় সেউজগাড়ী এলাকায় ইব্রাহিম হোসেন নিজেই একটি জিডির কপি বিলি করে। আমরা সেখান থেকে জানতে পারি যে, মাদক ব্যাবসা, চোরাকারবারি ও তাকে হত্যার হুমকি প্রদান করায় আমাদের নামে বগুড়া সদর থানায় একটি জিডি করা হয়েছে। তিনি বলেন, তার অভিযোগের প্রসঙ্গে বলতে চাই, আমরা দীর্ঘ দিন যাবত ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত আমাদের রাজনৈতিক, সামাজিক ও পারিবারিক জীবনের সকল কর্মকান্ড সৎ ও নিষ্ঠার সাথে পালন করে আসছি। আমি ছাত্র জীবনে সরকারী শাহসুলতান কলেজের নির্বাচিত ভিপি ছিলাম। জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক এবং বর্তমানে জেলা সেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সাঃ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছি। পাশা পাশি জনগনের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধী নির্বাচিত হয়েছি। তেমনি জুলফিকার রহমান শান্ত সরকারী কমার্শিয়াল কলেজের ভিপি, শহর ছাত্রলীগের সভাপতি ও বর্তমানে জেলা সেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সাঃ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছে। পাশা পাশি সেও জনগনের প্রত্যক্ষ ভোটে জন প্রতিনিধী নির্বাচিত হয়েছে। আমরা আমাদের রাজনৈতিক জীবনে সন্ত্রাসি, চাদাবাজি, মাদক ব্যাবসার মত কোন অপরাধ মূলক কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম না। দুই একটি রাজনৈতিক হয়রানি মূলক মামলা ছাড়া আমাদের নামে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি পর্যন্ত নাই। তাই আমরা মনেকরি ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলার আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উত্থাপন করেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ও হাস্য কর বটে। তিনি বলেন,আমাদের নামে অভিযোগকারি নিজেই একজন মাদক ব্যবসায়ি, চোরাকারবারি ও বিভিন্ন অপরাধের সাথে যুক্ত। বর্তমানে এই সব অভিযোগে তার নামে প্রায় ডজন খানেক মামলা বিচারাধিন আছে। গত কয়েক দিন আগে তার এলাকায় মাইকিং করে ঘোষনা দেওয়া হয় যে, অত্র এলাকায় মাদক ব্যাবসা, চুরি, ছিনতাই সহ সকল প্রকার অপরাধ মূলক কর্মকান্ড নিষিদ্ধ। আমরা এলাকা বাসি হিসেবে তার এ ঘোষনায় খুশি হয়ে ছিলাম কিন্তু পরে জানতে পারলাম বেশি লাভের আশায় তার নিজেদের লোকজনকে দিয়ে একক ভাবে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করতেই উপরোক্ত সিন্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে। এলাকার একজন সচেতন নাগরিক হিসাবে তার সকল অন্যয় কর্মকান্ডর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় প্রতিবাদ করায় আমরা তার প্রতিহিংসার শিকার হয়েছি। পাশা পাশি জামায়াত শিবিরের কিছু নেতৃবৃন্দের পরামর্শক্রমে নিজেদের ভিতর দ্বন্দ ও আমাদেরকে রাজনৈতিক ভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতেই গভির চক্রান্তের অংশ হিসাবে কাউন্সিলর এসব মিথ্যা অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। যা আমাদের প্রিয় সংগঠন স্বেচ্ছাসেবকলীগকে সাংগঠনিক ভাবে দূর্বল করতে সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বেও করা হয়েছিল। তিনি সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পুলিশ মহাপরিদর্শক, রাজশাহী বিভাগিয় ডিআইজি ও বগুড়ার পুলিশ সুপার মহদয়ের নিকট আহবান জানিয়ে বলেন, কাউন্সিলর কর্তৃক আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ যদি সত্য হয় তাহলে আমাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হোক আর যদি আমাদের অভিযোগ সত্য হয় তাহলে অবিলম্বে ইব্রাহিম হোসেনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নইলে যে কোন উদ্ভুদ পরিস্থিতীর জন্য প্রশাসন দ্বায়ী থাকবে। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক জুলফিকার রহমান শান্ত, লুৎফুল বারী বাবু, কামরুজ্জামান মাসুদ, প্রভাষক মনিরুজ্জামান, কোয়েল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম বাপ্পি, নাসিমুল বারী নাসিম, শহিদ হোসেন পাশা, আবু হানিফ প্রাং,আব্দুর রহমান মুন্না, নুরুল আমিন শিশির, রাকিবুল হাসান, বনি সদর খুররম, রঞ্জন আলী, এসএম টুটুল, রিফাত হাসান, রাজিব হাসান, আরিফুল ইসলাম, শাওন প্রমূখ।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন