বগুড়া সংবাদ ডট কম (আদমদীঘি প্রতিনিধি সাগর খান) : বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারে তিন লক্ষ টাকা যৌতুকের দাবীতে গৃহবধুকে হত্যার উদ্দ্যেশে মারপিট ও চেতনানাশক ঔষধ খাওয়ানোর মামলার মুল আসামী যৌতুক লোভী স্বামী, শ্বশুড় ও শাশুড়ী কে পুলিশ ৮ দিনেও গ্রেফতার করতে পারেনি। মামলার তদন্তকারী অফিসার টিএসআই জালাল উদ্দীন জানায় আসামীদের গ্রেফতারের জোর তৎপরতা অব্যাহত আছে।
উল্লেখ্য, আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের হাউজিং কলোনীর আব্দুল আলীর ছেলে আতিকুর রহমানের সহিত বগুড়ার মালতিনগর এলাকার মীর সাখাওয়াত হোসেনের মেয়ের সাবিহা নুর সুমি (২৭) সাথে ২০০৯ সালে শরিয়ত মতে বিবাহ হয়। তাদের সংসার জীবনে একটি সন্তান জন্ম গ্রহন করেন। এরপর থেকে যৌতুক লোভী স্বামী শ্বশুড় ও শাশুড়ী সুমির নিকট ৩ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবী করে নির্যাতন করে আসছিল। এর এক পর্যায়ে আতিকুর রহমান তার স্ত্রী সুমি ও সন্তানকে তার বাবা মার কাছে রেখে বিদেশে চলে যায়। সুমির শ্বশুর শাশুড়ী যৌতুকের টাকা দাবী করে সুমি কে মারপিট সহ জালা যন্ত্রনা করতো। আতিকুর রহমান বিদেশ থেকে বাড়ীতে আসিয়া পুনরায় স্ত্রীর উপর যৌতুকের চাপ সৃষ্টি করে যৌতুকের টাকা দিতে সুমি অস্বীকার করলে গত ১ সেপ্টেম্বর বেলা ১১ টায় সাবহিা নুর সুমি কে মারপিট করে হত্যার উদ্দ্যেশে চেতনানাশক ঔষধ সহ বিভিন্ন প্রকার ঔষধ খাওয়ায় কিছুক্ষনের মধ্যে সুমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। স্থানীয়রা সান্তাহার টাউন ফাঁড়ি পুলিশ কে খবর দিলে পুলিশ সুমি কে উদ্ধার করে প্রথমে ফেমার্স ক্লিনিকে ভর্তি করায় পরে তার অবস্থা অবনতি হলে তাকে আদমদীঘি উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করায়। এ ঘটনায় সুমি বাদী হয়ে বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্টাইব্যুনাল আদালত-২ এ যৌতুক লোভী স্বামী সান্তাহার হাউজিং কলোনীর প্রবাসী আতিকুর রহমান (৩৬) তার পিতা আব্দুল আলী (৫৫) ও মা আক্তারুন নাহার (৫২) বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ।

 

 

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন