বগুড়া সংবাদ ডট কম :সাংবাদিক দীপঙ্কর চক্রবর্তী হত্যাকা-ের ১৩তম বার্ষিকীর শোক ও স্মরণসভায় বক্তারা বলেছেন, বহুল আলোচিত এই হত্যা মামলায় পুলিশ ইতিমধ্যে জঙ্গি সংগঠন জেএমবি’র সম্পৃক্ততার যে প্রমাণ উপস্থাপন করেছে, তা নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। একারণে হত্যাকা-টি তদন্তে আরও সতর্কতা অবলম্বন করতে পুলিশের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে হত্যাকা-ের রহস্য উদঘাটনের পাশাপাশি জড়িতদের গ্রেপ্তার করে বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। এছাড়া আগামী বছর থেকে নিহত সাংবাদিক দীপঙ্কর চক্রবর্তীর নামে স্মৃতি পদক প্রদানের ঘোষণা করা হয়েছে।
বগুড়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই শোক ও স্মরণসভার আয়োজন করে বগুড়া সাংবাদিক ইউনিয়ন(বিইউজে)। সোমবার বেলা ১১টায় বিইউজে সভাপতি আমজাদ হোসেন মিন্টুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জে এম রউফের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের(বিএফইউজে) সহসভাপতি প্রদীপ ভট্টাচার্য্য শংকর, যুগ্ম মহাসচিব জি এম সজল, নির্বাহী সদস্য ঠা-া আজাদ ও আরিফ রেহমান, বগুড়া সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি এএইচএম আখতারুজ্জামান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল আলম নয়নসহ বিইউজে নেতা চপল সাহা, মোহন আখন্দ, প্রদীপ মোহন্ত, সবুর আলম মামুন, আব্দুস সালাম বাবু, সাজেদুর রহমান সিজু, এম সারওয়ার খান, জাকারিয়া পারভেজ, সাখাওয়াত হোসেন জনি প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই এই হত্যা মামালাটি ঝুলে রাখা হয়েছিলো। সর্বশেষ পুলিশি তদন্তে জেএমবি’র সম্পৃক্তার প্রমাণ মেলে এবং হত্যাকা-ে জড়িত রাজীব গান্ধী নামের এক জেএমবি নেতা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। এনিয়ে নিহতের পরিবারসহ নানা মহল প্রশ্ন তুলেছেন। একারণে প্রকৃত হত্যারহস্য উদঘাটনে পুলিশকে আরও সতর্কতার সাথে তদন্ত করে সম্পৃক্ত দুর্বৃত্তদের গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়। বক্তারা বলেন, দেশের অনেক সাংবাদিক হত্যাকা-ই তদন্ত পর্যায়ে স্থবির অবস্থায় রয়েছে। একের পর এক সাংবাদিক হত্যাকা- সংঘটিত হলেও সেসব হত্যার কোনো বিচার না হওয়ায় অপরাধীরা উৎসাহিত হচ্ছে। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে দ্রুত সকল সাংবাদিক হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
সভায় বগুড়া সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আমজাদ হোসেন মিন্টু ঘোষণা দেন, আগামী বছর থেকে নিহত সাংবাদিক দীপঙ্কর চক্রবর্তীর নামে স্মৃতি পদক প্রদান করা হবে। ২ অক্টোবর দীপঙ্কর চক্রবর্তীর হত্যাকা- দিবসে আনুষ্ঠানিকভাবে সেই স্মৃতি পদক প্রদান করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, বিগত ২০০৪ সালের ২ অক্টোবর নিজ কর্মস্থল বগুড়া শহর থেকে শেরপুর পৌর এলাকায় তাঁর বাড়িতে ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে খুন হন দীপঙ্কর চক্রবর্তী। সেসময় তিনি বগুড়া থেকে প্রকাশিত দুর্জয় বাংলা পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক এবং বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের(বিএফইউজে) সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ওই ঘটনায় তাঁর বড় ছেলে পার্থ সারথী চক্রবর্তী বাদি হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।(খবর বিজ্ঞপ্তির)
ই-মেইলে ছবি আছে ঃ
বগুড়ায় সাংবাদিক দীপঙ্কর চক্রবর্তীর শোক ও স্মরণসভা
হত্যা রহস্য উদঘাটনে পুলিশকে আরও
সতর্কতার সঙ্গে মামলা তদন্তের আহ্বান
সাংবাদিক দীপঙ্কর চক্রবর্তী হত্যাকা-ের ১৩তম বার্ষিকীর শোক ও স্মরণসভায় বক্তারা বলেছেন, বহুল আলোচিত এই হত্যা মামলায় পুলিশ ইতিমধ্যে জঙ্গি সংগঠন জেএমবি’র সম্পৃক্ততার যে প্রমাণ উপস্থাপন করেছে, তা নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। একারণে হত্যাকা-টি তদন্তে আরও সতর্কতা অবলম্বন করতে পুলিশের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে হত্যাকা-ের রহস্য উদঘাটনের পাশাপাশি জড়িতদের গ্রেপ্তার করে বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। এছাড়া আগামী বছর থেকে নিহত সাংবাদিক দীপঙ্কর চক্রবর্তীর নামে স্মৃতি পদক প্রদানের ঘোষণা করা হয়েছে।
বগুড়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই শোক ও স্মরণসভার আয়োজন করে বগুড়া সাংবাদিক ইউনিয়ন(বিইউজে)। সোমবার বেলা ১১টায় বিইউজে সভাপতি আমজাদ হোসেন মিন্টুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জে এম রউফের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের(বিএফইউজে) সহসভাপতি প্রদীপ ভট্টাচার্য্য শংকর, যুগ্ম মহাসচিব জি এম সজল, নির্বাহী সদস্য ঠা-া আজাদ ও আরিফ রেহমান, বগুড়া সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি এএইচএম আখতারুজ্জামান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল আলম নয়নসহ বিইউজে নেতা চপল সাহা, মোহন আখন্দ, প্রদীপ মোহন্ত, সবুর আলম মামুন, আব্দুস সালাম বাবু, সাজেদুর রহমান সিজু, এম সারওয়ার খান, জাকারিয়া পারভেজ, সাখাওয়াত হোসেন জনি প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই এই হত্যা মামালাটি ঝুলে রাখা হয়েছিলো। সর্বশেষ পুলিশি তদন্তে জেএমবি’র সম্পৃক্তার প্রমাণ মেলে এবং হত্যাকা-ে জড়িত রাজীব গান্ধী নামের এক জেএমবি নেতা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। এনিয়ে নিহতের পরিবারসহ নানা মহল প্রশ্ন তুলেছেন। একারণে প্রকৃত হত্যারহস্য উদঘাটনে পুলিশকে আরও সতর্কতার সাথে তদন্ত করে সম্পৃক্ত দুর্বৃত্তদের গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়। বক্তারা বলেন, দেশের অনেক সাংবাদিক হত্যাকা-ই তদন্ত পর্যায়ে স্থবির অবস্থায় রয়েছে। একের পর এক সাংবাদিক হত্যাকা- সংঘটিত হলেও সেসব হত্যার কোনো বিচার না হওয়ায় অপরাধীরা উৎসাহিত হচ্ছে। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে দ্রুত সকল সাংবাদিক হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
সভায় বগুড়া সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আমজাদ হোসেন মিন্টু ঘোষণা দেন, আগামী বছর থেকে নিহত সাংবাদিক দীপঙ্কর চক্রবর্তীর নামে স্মৃতি পদক প্রদান করা হবে। ২ অক্টোবর দীপঙ্কর চক্রবর্তীর হত্যাকা- দিবসে আনুষ্ঠানিকভাবে সেই স্মৃতি পদক প্রদান করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, বিগত ২০০৪ সালের ২ অক্টোবর নিজ কর্মস্থল বগুড়া শহর থেকে শেরপুর পৌর এলাকায় তাঁর বাড়িতে ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে খুন হন দীপঙ্কর চক্রবর্তী। সেসময় তিনি বগুড়া থেকে প্রকাশিত দুর্জয় বাংলা পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক এবং বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের(বিএফইউজে) সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ওই ঘটনায় তাঁর বড় ছেলে পার্থ সারথী চক্রবর্তী বাদি হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।(খবর বিজ্ঞপ্তির)

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন