বগুড়া সংবাদ ডট কম (নামুজা প্রতিনিধি আনোয়ার হোসেন) : এপিস মেলিফেরা মৌমাছির ভ্রাম্যমান মধু চাষ করে ব্যবসায় সফলতায় এখন ৫ কোটি টাকার মালিক। বিবরণে প্রকাশ, বগুড়ার কাহালু উপজেলার কালাই ইউনিয়নের কাউড়াহাট সংলগ্নস্থানে মাঠে ২৭০ টি মেলিফেরা মৌমাছির ভ্রাম্যমান মধু চাক নিয়ে মাঠে মৌছির পরিচালনা করছেন ৪ জন শ্রমিক। গত ২৪ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার শেষ বিকালে অনুসন্ধানে জানা যায়, সাতক্ষিরা জেলার সুন্দরবন এলাকার ভুবেন্দ্র চন্দ্র মন্ডলের পুত্র নিতাই কুমার চন্দ্র জানান, বিগত ১৫ পূর্বে শুরু করে এই মৌমাছি চাষের ব্যবসা, প্রথমে ৫ লক্ষ টাকায় তা শুরু করলেও এখন সেই ব্যবসা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫ কোটি টাকায়। এসব এপিস মেলিফেরা মৌমাছির ভ্র্যাম্যমান মধু চাষ সরিষা ও লিচুর ফুল থেকে মধু সংগ্রহ হয়ে থাকে। তিনি আরও জানান, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, শরিয়তপুর, মাগুড়া ও দিনাজপুর জেলায় তাদের বিচরণ সবচেয়ে বেশি হয়ে থাকে। বছরের শীতকালিন ৪ মাস এই ভ্রাম্যমান মৌচাক নিয়ে উল্লেখিত অঞ্চলগুলোতে মধু সংগ্রহ করায় তাদের মূল উদ্দেশ্য। প্রথমে ১৫ দিনে ২৭০টি মৌচাকে ২০ মনের মত মধু সংগ্রহ হলেও তা পরে প্রতি ৭দিন পর পর ২০ মন করে মধু সংগ্রহ হয়। এসব মধু খুরচা ৩৫০ থেকে ৪শ টাকা কেজি দরে বাজারে বিক্রি হয়। উৎপাদিত মধু দেশের বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানীর লোকেরা ক্রয় করে থাকে। এপিস মেলিফেরা মৌমাছির মধু বিদেশেও রপ্তানী হয়ে থাকে। ২৭০ টি মৌচাক পরিচর্চা করতে শ্রমিক লাগে ৪ জন। এক একটি শ্রমিকের মাসিক বেতুন ১০ হাজার টাকা। প্রথমে অল্প পুঁজি বিনিয়োগ করে ধীরে ধীরে তা ব্যবসায়ীভাবে সফলতার দ্বার প্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে। এপিস মেলিফেরা মৌমাছি একটি চাষকৃত মৌমাছির জাত। একে মা অথবা রানী মৌমাছি বলা হয়। এই ধরণের কৃত্রিম কাঠের তৈরি মধু আহরণের পদ্ধতিতে একদিকে যেমন মহাশক্তি মধুর উৎপাদন ও সংগ্রহ করে বাজারজাত হচ্ছে অপরদিকে ফসলের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন