বগুড়া সংবাদ ডট কম (সারিয়াকান্দি প্রতিনিধি রাহেনূর ইসলাম স্বাধীন) : বগুড়ার সারিয়াকান্দি ডিগ্রি কলেজের প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ১৪টি গাছ সরকারি অনুমোদন ছাড়াই স্বল্প মূল্যে বিক্রি করায় জনমনে নানাপ্রশ্ন দানা বেঁধে উঠেছে। অতি পুরাতন ১টি এন্ট্রি কড়ই ও ১৬টি মেহগনি গাছগুলো কলেজ ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি সহপরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে আসছিল।
জানাযায়, ১৯৮৯ সালেতৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল কদ্দুস ও অধ্যক্ষ মুনজিল আলী সরকার সারিয়াকান্দি ডিগ্রী কলেজ ক্যাম্পাসে একাধিক এন্ট্রি কড়ই ও মেহগনী গাছগুলো রোপন করেছিলেন। বর্তমান অধ্যক্ষ সাইদুজ্জামান স্বপন সরকারি অনুমোদন ছাড়াই ১টি এন্ট্রি কড়ই ও ১৩টি মেহগনিগাছ টেন্ডারের মাধ্যমে স্থানীয় কাঠব্যবসায়ীর নিকট বিক্রি করে দেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিক্রিত গাছগুলি ৩লক্ষ ১ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। যাহা প্রকৃত বাজার মূল্যের চাইতে অনেক কম দামে বিক্রি করা হয়েছে।
এব্যাপারে উপজেলা পরিবেশ ও বনায়ন কমিটির সভাপতি, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান জানান, সারিয়াকান্দি ডিগ্রীকলেজ কর্তৃপক্ষ গাছকর্তন ও বিক্রয়ের কোন অনুমোদন নেয়নি।
ফরেস্টার মোঃ মহসিন আলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সরকারিবা স্বায়ত্বশাষিত কোন প্রতিষ্ঠানের গাছ বিক্রয় করতে হলে উপজেলা পরিবেশ ও বনায়ন কমিটির মাধ্যমে মূল্য নির্ধারন ও অনুমোদন প্রয়োজন। কিন্তু সারিয়াকান্দি ডিগ্রীকলেজ কর্তৃপক্ষ কোন অনুমোদনের তোয়াক্কানা করে গাছগুলো নিয়ম বহির্ভুতভাবে বিক্রি করেন।
এ রিপোর্ট লেখা অবধি সারিয়াকান্দি ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ সাইদুজ্জামান স্বপনের সাথে যোগাযোগ করা হলে জানান, ভুতপূর্ব উপজেলা নির্বাহীকর্মকর্তার অনুমোদন নিয়েই গাছগুলো প্রকৃত মূল্যে বিক্রি করা হয়েছে। গাছ কাটার কারণ হিসেবে তিনি নতুন ভবন নির্মাণের কথা জানান।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন