বগুড়া সংবাদ ডট কম : বগুড়া জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান মজনু বলেছেন, ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরিপূর্ণতা পেয়েছিল। ২৫ মার্চ রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। আর মুক্ত হন ১০ মাস পর এই দিনে। ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয়ের পর বাঙালির আকাঙ্খা ছিল কবে আমরা আমাদের নেতা বঙ্গবন্ধুকে আমাদের মাঝে ফিরে পাব। ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু ফিরে এসে আবার সেই রেসকোর্স ময়দানে জাতির সামনে বক্তব্য রাখলেন। ৭ মার্চ ছিল স্বাধীনতা যুদ্ধের আর ১০ জানুয়ারি ছিল নতুন বাংলাদেশ গড়ার বক্তব্য। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা ষড়যন্ত্র চালাবে তাতে বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না। আজও সেই ষড়যন্ত্র বিদ্যমান। আইয়ুব-ইয়াহিয়াদের প্রেতাত্মারা এখনও ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। তারা বাংলাদেশকে আবারও পাকিস্তান বানাতে চায়। তারা যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষ নিতে চায়। তারা আওয়ামী লীগকে ৭৫ এর ন্যায় নিশ্চিহ্ন করতে চায়। বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারাকে বাধাগ্রস্থ করতে চায়। আওয়ামী লীগের একজন নেতাকর্মী বেঁচে থাকতে তা সফল হতে দেবে না। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলি বলেন। সভায় জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন দুলুর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন এ্যাড. আব্দুল মতিন, রাগেবুল আহসান রিপু, টি.জামান নিকেতা, প্রদীপ কুমার রায়, আসাদুর রহমান দুলু, এ্যাড. তবিবর রহমান তবি, এ্যাড. জাকির হোসেন নবাব, সুলতান মাহমুদ খান রনি, শেরিন আনোয়ার জর্জিস, এ্যাড. শফিকুল আলম আক্কাস, এবিএম জহুরুল হক বুলবুল, মাশরাফী হিরো, আলরাজী জুয়েল, তপন চক্রবর্তী, আবু সুফিয়ান সফিক, মাফুজুল ইসলাম রাজ, আবু ওবায়দুল হাসান ববি, আলমগীর বাদশা, আব্দুস সালাম, শুভাশীষ পোদ্দার লিটন, সাজেদুর রহমান শাহীন, আমিনুল ইসলাম ডাবলু, এ্যাড. লাইজিন আরা লিনা, ডালিয়া নাসরিন রিক্তা, নাইমুর রাজ্জাক তিতাস প্রমুখ। এর আগে সকাল ৮টায় জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং সকাল সোয়া ৮টায় বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন