বগুড়া সংবাদ ডটকম : বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ও বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জননেতা আলহাজ্ব মমতাজ উদ্দিন বলেছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় ছাড়া অন্য কোন পথ নেই। এই নির্বাচন উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারাবাহিকতা রক্ষার নির্বাচন। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ এবং বিপক্ষের সরাসরি ভোটযুদ্ধে অংশগ্রহণ। সুতরাং, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদেরকে সেভাবেই কাজ করতে হবে। কে কোথায় মনোনয়ন পেল অথবা বঞ্চিত হলো তা নিয়ে ভাবার কোন সুযোগ নেই। আওয়ামী লীগে জননেত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। দল করতে হলে দলের সিদ্ধান্ত মানতে হবে। সবাই বলেন আমরা চাওয়া-পাওয়ার জন্য রাজনীতি করি না। অথচ মনোনয়ন না পেলেই অনেকেই বিগড়ে যান। মনে রাখবেন দল ছাড়া কারো কোন দাম নেই। দল ক্ষমতায় থাকলে আপনার মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে। দল ক্ষমতায় না থাকলে সীমাহীন নির্যাতন নেমে আসবে। অতীতে যেমনভাবে এসেছিল। মহাজোটের প্রার্থীরাও আওয়ামী লীগের প্রার্থী। তাদের জন্য মাঠে নামতে হবে। বিএনপি-জামায়াত উভয়ই সাম্প্রদায়িক শক্তি। তারা ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করে। তারা বাংলাদেশকে আবারও পাকিস্তান বানাতে চায়। তারা নির্বাচন নয়, দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায়। বাংলাদেশের ভালো কিছু তাদের পছন্দ হয় না। তারা চায় যেকোন মূল্যে রাষ্ট্র ক্ষমতা। জননেত্রী শেখ হাসিনা গত ১০ বছরে যে উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করেছেন তাতে জনগণ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটকেই বেছে নেবে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় ঝাউতলাস্থ চেম্বার ভবনে বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলি বলেন। সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, বগুড়া-১ এর সাংসদ জননেতা আব্দুল মান্নান এমপি, বগুড়া-৫ এর সাংসদ জননেতা হাবিবর রহমান এমপি, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ডা. মকবুল হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান মজনু, তোফাজ্জল হোসেন দুলু, এ্যাড. আব্দুল মতিন, আবুল কালাম আজাদ, এ্যাড. মকবুল হোসেন মুকুল, এ্যাড. রেজাউল করিম মন্টু, এ্যাড. আমানুল্লাহ্, শাহ্ আব্দুল খালেক, ডা. এনসি বাড়ই, ডা. মোস্তফা আলম নান্নু, ডা. আলী আহম্মেদ আলম, ডা. শামসুন নাহার শেফালী, ডা. মকবুলার রহমান, অধ্যক্ষ মুনজিল আলী সরকার, রাগেবুল আহসান রিপু, টি. জামান নিকেতা, আসাদুর রহমান দুলু, শাহরিয়ার আরিফ ওপেল, এ্যাড. তবিবর রহমান তবি, মুনসুর রহমান মুন্নু, শাহ্ আখতারুজ্জামান ডিউক, এ্যাড. জাকির হোসেন নবাব, আব্দুল খালেক বাবলু, সুলতান মাহমুদ খান রনি, শেরীন আনোয়ার জর্জিস, এ্যাড. শফিকুল আলম আক্কাস, কামরুন্নাহার পুতুল, আনিছুজ্জামান মিন্টু, সাগর কুমার রায়, অধ্যক্ষ শাহাদৎ আলম ঝুনু, এস.এম রুহুল মোমিন তারিক, এস. এম শাজাহান, এবিএম জহুরুল হক বুলবুল, মাশরাফী হিরো, আল রাজী জুয়েল, তপন চক্রবর্তী, আশরাফ উদ্দিন সরকার মুকুল, হেলাল উদ্দিন কবিরাজ, তৌহিদুর রহমান মানিক, আছালত জামান, এ্যাড. আল-মাহমুদ, ডা. বজলার রহমান, এ্যাড. মন্তেজার রহমান মন্টু, সাহাদারা মান্নান, দিলীপ কুমার চৌধুরী, আব্দুস সাত্তার, টি.আই.এম নুরুন্নবী তারিক, আজিজুল হক, জিয়াউল করিম শ্যাম্পু, মিজানুর রহমান খান সেলিম, আবু সুফিয়ান সফিক, মাহবুবুল আলম বুলু, সিরাজুল ইসলাম খান রাজু, মোস্তাফিজার রহমান মোস্তা, তালেবুল ইসলাম তালেব, আব্দুল খালেক দুলু, ফজলুল হক ফজলু, আব্দুল মান্নান, মাফুজুল ইসলাম রাজ, রফিকুল ইসলাম রফিক, আব্দুর রাজ্জাক মিলু, আনিছুর রহমান আনিছ, আনোয়ার হোসেন রানা, অধ্যক্ষ খাদিজা খাতুন শেফালী, আলমগীর বাদশা, আব্দুস সালাম, এ্যাড. নরেশ মুখার্জী, শুভাশীষ পোদ্দার লিটন, সাজেদুর রহমান শাহীন, আমিনুল ইসলাম ডাবলু, জুলফিকার রহমান শান্ত, ডালিয়া নাসরিন রিক্তা, নুরুজ্জামান সোহেল প্রমূখ। সভায় বগুড়ার ৭টি আসনে জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে টিম করে নির্বাচনী কাজ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন