bograsangbad_Logoবগুড়া সংবাদ ডট কম (সোনাতলা সংবাদদাতা মোশাররফ হোসেন) : সোনাতলায় চলতি বন্যায় পাঁচ ইউনিয়নের ৪৭টি গ্রামের সাতহাজার চার’শ সাতষট্টি পরিবারের প্রায় ২৯ হাজার ৯০০ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া আরো ক্ষতি হয়েছে নানা প্রকার। ত্রাণ হিসেবে এ পর্যন্ত যেটুকু চাল ও অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেছে তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা গেছে চলতি বন্যায় তেকানী চুকাই নগর ইউনিয়নে ৩,৫৭০, পাকুল্যা ইউনিয়নে ২,০৭০,মধুপুর ইউনিয়নে ৭০০,জোড়গাছা ইউনিয়নে ২৫০ ও সোনাতলা সদর ইউনিয়নে ৮৮৭ পরিবারের এ পর্যন্ত ২৯ হাজার ৮’শ ৬৭ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে বর্তমানে ওয়াপদা বাঁধে আশ্রয় নিয়েছে ২৫০ পরিবার ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিয়েছে ২৫০ পরিবার। ওইসব জায়গায় আশ্রয় নিয়ে থাকা পরিবারের মানুষ দুর্বিষহ জীবন যাপন করছে। বন্যায় বাড়িঘর সম্পূর্ণ ক্ষতি হয়েছে ৯১টি ও আংশিক ক্ষতি হয়েছে ১৬০টি। আরো ক্ষতি হয়েছে ২,৩৫০ হেক্টর কৃষি জমি। অতি বর্ষন ও বন্যার পানির স্রোতে ১৬ কিলোমিটার পাকা রাস্তা ও ১,১৭০ কিলোমিটার কাঁচার রাস্তার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ফলে যাতায়াতে জনদুর্ভোগ বেড়েছে। ওই অফিস সূত্রে আরো জানা গেছে ১৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ৪৫০টি নলকূপ,৩২টি পুকুর বা জলাশয় ও ৪৯,১০০টি গবাদি পশুর ক্ষতি হয়েছে বন্যার কারণে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মোঃ জিয়াউর রহমান জানান বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য এ পর্যন্ত বরাদ্দ পাওয়া গেছে (জিআর) ৫০ মে.টন চাল ও ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এর মধ্যে ৩০ মে.টন চাল ও ১ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে (জিআর) আরো পঞ্চাশ মে.টন চাল ও পাঁচ লাখ টাকা,৬০০ প্যাকেট শুকনা খাবার ও একহাজার পিচ ত্রিপল বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। বর্তমানে যমুনায় বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হলেও বাঙ্গালী নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন