বগুড়া সংবাদ ডট কম (নামুজা প্রতিনিধি আনোয়ার হোসেন) : বগুড়া সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী নামুজা ফাযিল মাদ্রাসার নাশকতা মামলার আসামি কারাগারে থেকেও তথ্য গোপন করে স্ব-বেতনে চাকুরি বহাল। অনুসন্ধানে জানা যায়, নামুজা এস.এস.আই সিনিয়র ফাযিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক ও মাঝিহট্ট ইউপি জামাত আমির মাওলানা আছার উদ্দিন একটি নাশকতা মামলায় গত ২৮/৫/২০১৮ ইং তারিখ হইতে মোট ৩৬ দিন বগুড়া জেলা কারাগার হাজতে থাকেন। মাওলানা আছার উদ্দিন জামিনে মুক্তহয়ে এসে তার কর্মস্থল নামুজা ফাযিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলহাজ্ব রোস্তম আলীর সঙ্গে যোগসাজসে সত্যকে গোপন করে এক গোপন চুক্তির বিনিময়ে একটি ভূয়া ডাক্তারি সার্টিফিকেট দাখিল করে শিক্ষক হাজিরা খাতায় অসুস্থতা দেখিয়ে বেতন উত্তোলণ করে আসছে। উল্লেখ্য যে, মাওলানা আছার উদ্দিন জামাত নেতাসহ তার অনুসারিরা বিগত সময়ে শিবগঞ্জ উপজেলার মাঝিহট্ট ইউপির দুদাহার দাখিল মাদ্রাসায় নাশকতা করার পরিকল্পনায় গোপন মিটিং করছিল। এমন সময় শিবগঞ্জ থানা পুলিশ উক্তস্থানে উপস্থিত হয়ে ঘটনাস্থল থেকে ৩ জনকে হাতে-নাতে আটক করে। আটককৃতদের স্বীকার উক্তি মোতাবেক পুলিশ বাদী হয়ে ১৪ জনকে আসামি করে শিবগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করে। ওই মামলার ১৪ জন আসামির মধ্যে মাওলানা আছার উদ্দিন আদালতে জামিনের আবেদন করলে। আদালত তার জামিন না মুঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। মাওলানা আসার উদ্দিন ৩৬ দিন হাজতে ছিলেন। এ ব্যাপারে প্রভাষক মাওলানা আছার উদ্দিনের নিকট জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, সত্য তথ্যকে গোপন করে ডাক্তারি সার্টিফিকেট দাখিল করে বেতন উত্তোলণ করা আমার ঠিক হয়নি। এ ব্যাপারে ২৫ নভেম্বর নামুজা ফাযিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলহাজ্ব রোস্তম আলী সাংবাদিকদের জানান, মাওলানা আছার উদ্দিন হাজতে থেকে জামিনে এসে ছুটির আবেদন করলে গভর্নিং বডির সভাপতি বগুড়া জেলা প্রসাশক তার ছুটির আবেদন গ্রহন করেননি। নামুজার সর্বোচ্চ ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আরবি প্রভাষক মাওলানা আছার উদ্দিন ও অধ্যক্ষ আলহাজ্ব রোস্তম আলীর মিথ্যার আশ্রয় নেওয়াটা আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে কোন প্রহসনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে সচেতন মহলে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন?

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন