বগুড়া সংবাদ ডটকম: বগুড়া শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর এর নির্বাহী প্রকৌশলী আলতাব হোসেন বলেন, দেশকে উন্নয়নশীল করতে কারিগরী শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। বগুড়া ওয়াইএমসিএ একটি বিশেষায়িত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানের সকলের আন্তরিকতা আমাকে মুগ্ধ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি প্রকৌশল শাখার একটা অংশ হওয়ার কারণে আমার নৈতিক দায়বদ্ধতা রয়েছে।

অগ্রজ হিসেবে অনুজদের প্রতি যে দায়িত্ব রয়েছে তা যথাযথ পালন করে যাব। সোনার বাংলাদেশ, আধুনিক বাংলাদেশ, ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে হলে কারিগরী শিক্ষার প্রতি আরো গুরুত্ব বাড়াতে হবে। বিগত দশ বছর পূর্বে কারিগরী শিক্ষার হার শতকরা ২ ভাগ হতে বর্তমান শতকরা ১৫ ভাগ হয়েছে। উন্নয়নশীল দেশ গড়তে হলে ২০৪১ সালের মধ্যে কারিগরী শিক্ষার হার শতকরা ৪০ ভাগ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল (এসডিজি) বাস্তবায়ন করতে হবে।

দেশের পতাকা ও চেতনা নবীনদের হাতে। তারাই হচ্ছে দেশের প্রকৃত মানব সম্পদ। সমাজ সভ্যতা বিনির্মানে তাদের দায়িত্ব অনেক। প্রযুক্তি শিক্ষা ও টেকনোলজি হচ্ছে বর্তমানে ভাষার নামান্তর। পৃথিবী যে পথে এগুচ্ছে বাংলাদেশ সেদিকে এগিয়ে যাবে। এ জন্য তোমাদেরকেই দায়িত্ব নিতে হবে। আধুনিক ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশ গড়তে হলে শতকরা ৫০ ভাগ শিক্ষার্থীকে কারিগরী শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার বগুড়া ওয়াইএমসিএ পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট এর ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষের ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথাগুলো বলেন।

বগুড়া ওয়াইএমসিএ নির্বাহী পরিচালক রবার্ট রবিন মারান্ডির সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সংস্থার সভাপতি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চেয়ারম্যান মিঃ দিলীপ মারান্ডি, সহকারী প্রকৌশলী শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর খাজা মোঃ নাজিম উদ্দিন, অধ্যক্ষ প্রকৌশলী ভিভিয়ান রিওন মারান্ডি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সফিউল আলম নিটু সহ প্রমুখ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উপাধ্যক্ষ আইএনএম মাহবুবুল ইসলামের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানে বগুড়া ওয়াইএমসিএ এর বোর্ড অব ডিরেক্টরস, শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্রছাত্রী, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ অংশ নেন। আলোচনা সভা শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ফুলেল শুভেচ্ছা দেয়া হয়।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন