বগুড়া সংবাদ ডট কম (মহাস্থান প্রতিনিধি এস আই সুমন) : বগুড়া সদরের গোকুল চাঁদমুহা হরিপুরে পূজার জায়গা চেয়ে নিয়ে পূজা শেষে জায়গাটি জবর দখলের চেস্টা,থানায় মন্দির ভাংচুরের মিথ্যা অভিযোগ।সরেজমিনে এলাকাবাসী ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে,বগুড়া সদরের গোকুল ইউনিয়নের চাঁদমুহা হরিপুর গ্রামের শ্রী রমানাথ দাসের পুত্র সুজন কুমার দাস ও তার ভাইদের বসত বাড়ির সামনে ফাঁকা জায়গায় তফসিল বর্নিত আর এস ৯১১ সাবেক ১২৯১ হালে ২০৩৫ দাগে ২৮ শতকের কাতে ২৭ শতাংশ সম্পত্তির মধ্য উক্ত দাগে বিবাদীদের পিতা রামেশ্বর দাসের ৩৩৪ হিস্যা অংশ ৯ শতাংশ সম্পত্তি বাদীর পিতা সহ অন্য নামে আর এস খতিয়ান প্রস্তুত হয়।গত ৬/৮/২০১৮ তাং চেয়ারম্যানকে অভিযোগ দেন। বাদীর বাড়ির সামনের জায়গা ফাঁকা থাকায় বিবাদী অমৃত চন্দ্র দাস ও সুদাংশু চন্দ্র দাস গত দূর্গাপুজায় করার জন্য জায়গাটি ডেকেরেশনের করে পুজা উৎযাপন করতে চাইলে চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য করতে বলেন এবং চেয়ারম্যান সওকাদুল ইসলাম সরকার সবুজ ও স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গন্যমান্য ব্যক্তির উপস্থিতিতে গত ৬/১০/২০১৮ ইং তারিখে বাদী ও বিবাদীর উপস্থিতে বিষয়টি লিখিত ভাবে সৃষ্ঠ সমস্যা সমাধান করা হয় এবং বাদীর ১০ হাজার ইট ও বালু তার বাড়ি নির্মানের জন্য সেখানে রাখলে চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সেগুলো ৭ দিনের মধ্য সরিয়ে নিতে বলেন এবং পাশেই মন্দিরের জায়গা ফাকা করে দেওযা হয় গত ২/১১/২০১৮ ইং তারিখে ডেকোরেশন খুলে জায়গাটি ফাঁকা করার প্রতিশ্রুতি দেয়, প্রতিশ্রুতি না মানায় বাদী অদ্যই শনিবার সকালে ইউনিয়ন পরিষদের সহযোগিতায় ডেকোরেশন খুলে নিয়ে জায়গাটি ফাঁকা করে দেয়।
এ ঘটনায় বিবাদী অমৃত চন্দ্র দাস সেটি ভিন্ন ভাবে প্রভাবিত করে সদর থানায় মন্দির ভাঙ্গার মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেন। সরেজমিনে বিকালে সেখানে গিয়ে এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় সেখানে কোন মন্দির ছিল না বলে এলাকার একাধিক লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়। প্রকৃতপক্ষে দূর্গা পূজার সময় বাদীর কাছ থেকে জায়গাটি চেয়ে নিয়ে পূজা শেষে জায়গাটি উমুক্ত করা হতো। এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান সওকাদুল ইসলাম সরকার সবুজ ও স্থানীয় ইউপি সদস্য আলী রেজা তোতনের সাথে কথা বললে তারা জানান,জায়গাটি নিয়ে সৃষ্ঠ সমস্যাগুলি বাদী ও বিবাদীর উপস্থিতিতে লিখিতভাবে গত ৬/১০/২০১৮ ইং তারিখে মিমাংসা করা হয়,আসলে সেখানে স্থায়ী কোন মন্দির ছিল না,এ ঘটনায় সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন