বগুড়া সংবাদ ডট কম : বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ও বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মমতাজ উদ্দিন বলেছেন, জিয়া পরিবার একটি দুর্নীতিগ্রস্থ পরিবার। প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে তিনি অবৈধভাবে দু’টি ট্রাস্ট জিয়া অর্ফানেজ এবং জিয়া চ্যারিটেবল থেকে ক্ষমতার অপপ্রয়োগ করে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। স্বামীর নামে গড়া প্রতিষ্ঠানে কোন স্ত্রী দুর্নীতি করতে পারে এটা চিন্তাই করা যায় না। তাদের পক্ষে আসলে সবই সম্ভব। ক্ষমতার লোভে তারা নিজের স্বামীর হত্যার বিচার করেন না। তার ছেলে তারেক রহমানও একই চরিত্রের অধিকারী। ইতিমধ্যেই তারও যাবজ্জীবন কারাদন্ডসহ বিভিন্ন মামলায় বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত এসব আসামীদের জন্য বিএনপির নেতাকর্মীদের মায়া কান্না বাংলাদেশের মানুষকে কষ্ট দেয়। তারা কেন এখনও খালেদা জিয়াকে দেশনেত্রী নামে অভিহিত করে তা দেশের মানুষ বুঝতে পারে না। যার কাছে স্বামীর নামে গড়া ট্রাস্টের টাকা নিরাপদ নয়, তার কাছে একটি রাষ্ট্র কেমন করে নিরাপদ হতে পারে। বেগম খালেদা জিয়া ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকাকালীন বাংলাদেশ তিনবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। এদের কাছে দেশ এবং মানুষ কেউই নিরাপদ নয়। ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত অগ্নিসন্ত্রাস করে প্রায় ২ শতাধিক মানুষ পুড়িয়ে মেরেছিল। শতশত মানুষকে পেট্রোল বোমা মেরে অগ্নিদগ্ধ করেছিল। এরা জনগণের ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করে না। এরা নিজেদের ক্ষমতায়নে বিশ্বাসী। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশকে কলঙ্কিত করেছেন। জিয়া এবং খালেদা জিয়ার অধ্যায় দুর্নীতি, সন্ত্রাস, ক্ষমতার অপব্যবহার, জঙ্গীদের পৃষ্ঠপোষকতা এবং স্বাধীনতা বিরোধীদের প্রশ্রয়দানের অধ্যায়। এই অধ্যায় থেকে বাংলাদেশ চিরতরে মুক্তি চায়। জামায়াত যেমন স্বাধীনতা বিরোধীদের সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত তেমনি বিএনপি গণতন্ত্রহীনদের সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত। এই দুই অপশক্তিরই বিচার হওয়া প্রয়োজন। তাহলেই বাংলাদেশর ইতিহাস কালিমামুক্ত হবে। যতই ষড়যন্ত্র করুক একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচাল করতে পারবে না। জনগণ তা সফল হতে দিবে না। গতকাল সোমবার বেগম খালেদা জিয়ার জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা পরবর্তী বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে দুপুর ১২টায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলি বলেন। সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন এ্যাড. আব্দুল মতিন, এ্যাড. মকবুল হোসেন মুকুল, এ্যাড. আমানুল্লাহ্্, টি.জামান নিকেতা, মঞ্জুরুল আলম মোহন, প্রদীপ কুমার রায়, শাহরিয়ার আরিফ ওপেল, এ্যাড. জাকির হোসেন নবাব, সুলতান মাহমুদ খান রনি, শেরিন আনোয়ার জর্জিস, মাশরাফী হিরো, আলরাজী জুয়েল, তপন চক্রবর্তী, আবু সুফিয়ান সফিক, ওবায়দুল হাসান ববি, আলমগীর বাদশা, আব্দুস সালাম, সাজেদুর রহমান সাহীন, আমিনুল ইসলাম ডাবলু, ডালিয়া নাসরিন রিক্তা, মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, নাইমুর রাজ্জাক তিতাস, অসীম কুমার প্রমুখ।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন