bograsangbad_Logoবগুড়া সংবাদ ডট কম (নন্দীগ্রাম প্রতিনিধি মো: ফিরোজ কামাল ফারুক) : বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার প্রত্যান্ত পল্লীতে জুঁই খাতুন (৫) নামের এক শিশুকে নদীর পানিতে ফেলে হত্যার ঘটনা ঘঠেছে। নদী থেকে তার লাশ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। একই ঘটনায় স্থানীয়দের প্রচেষ্টায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যায় কুলসুম খাতুন (৬) নামের অপর এক শিশু। এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার থালতামাজগ্রাম ইউনিয়নের গুলিয়া কৃষ্ণপুর গ্রামে। এঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নিহতের চাচা জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে ওই গ্রামের শামীম হকের মেয়ে নূরানী খাতুন (১৫) এর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। নিহত জুঁই খাতুন কৃষ্ণপুর গ্রামের জহুরুল ইসলামের মেয়ে। বেঁচে যাওয়া একই গ্রামের কুলসুমকে স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে হত্যাকান্ডের প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা জানান, শিশুকন্যা জুঁই খাতুন ও কুলসুম খাতুন শুক্রবার সন্ধ্যায় বাড়ির কাছে নাগর নদীর তীরে খেলা করছিল। এসময় সেখানে থাকা প্রতিবেশি শামীম হোসেনের মেয়ে নূরানী খাতুন শিশু দুটিকে নদীতে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায়। বিষয়টি এলাকাবাসী টের পেয়ে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে নদী থেকে কুলসুমকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও জুঁইকে তারা উদ্ধার করতে পারেনি। রাত ১০টার দিকে নদী থেকে শিশু জুঁইয়ের লাশ উদ্ধার করা হয়। তবে কী কারণে তাদের সন্তানকে হত্যা করা হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নূরানীর মা ফেন্সী খাতুন ও ফুফু নার্গিসকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তারা দাবি করেছেন, নুরানীর জ্বীনের নজর আছে। মাথায় সমস্যা থাকায় সে শিশু জুঁই ও কুলসুমকে নদীতে ফেলে দেয়।
এবিষয়ে থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, নিহতের চাচা জাহাঙ্গীর আলম বাদী হত্যা মামলা দায়ের করেছে। আসামী নূরানী খাতুনকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে। শনিবার বিকাল পর্যন্ত তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন