বগুড়া সংবাদ ডট কম : বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ও বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মমতাজ উদ্দিন বলেছেন, আওয়ামী লীগ মানেই বাংলাদেশের উন্নয়ন। আওয়ামী লীগ শুধু রাজনৈতিক আন্দোলনই করেনি, ক্ষমতায় এলে মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে সর্বদায় চেষ্টা করেছে। বাংলাদেশ আজ বিশ্বের কাছে উন্নয়নের রোল মডেল। অথচ গত কিছুদিন পূর্বেও বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছিল অকার্যকর রাষ্ট্র। জঙ্গীবাদ, সন্ত্রাস, দুর্নীতি দেশের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে গিয়েছিল। দুর্নীতিতে বাংলাদেশ সে সময় তিনবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। বোমা হামলা, গ্রেনেড হামলা ছিল নিত্যদিনকার বিষয়। আজ সেই বাংলাদেশ তৃতীয় বিশ্বের যে কোন রাষ্ট্রের জন্য অনুকরণীয় আদর্শ। গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ অনুসরণীয় হয়ে থাকবে। জননেত্রী শেখ হাসিনা নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশকে একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতুর নির্মাণ অর্থনীতিতে নিজস্ব স্বক্ষমতার পরিচয় বহন করে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মাধ্যমে ৫৭তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ মহাকাশে পৌঁছে গেছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় ছিটমহলগুলির মানুষ এখন নতুন করে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছে। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনা মানবতার নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। এত অল্প সময়ে এত অর্জন কোন রাষ্ট্র নায়ক এনে দিতে পারেনি। আর এসব কারণেই মানুষ আওয়ামী লীগের উপর আস্থাশীল। যতই ষড়যন্ত্র করুক না কেন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচাল করতে পারবে না। দেশের মানুষ আবারও নৌকা মার্কায় ভোট দেবে। গতকাল বৃহস্পতিবার ঝাউতলাস্থ চেম্বার ভবনে বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের যৌথ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলি বলেন। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান মজনু, তোফাজ্জল হোসেন দুলু, আবুল কালাম আজাদ, এ্যাড. মকবুল হোসেন মুকুল, এ্যাড. রেজাউল করিম মন্টু, এ্যাড. আমানুল্লাহ, শাহ্্ আব্দুল খালেক, টি.জামান নিকেতা, মঞ্জুরুল আলম মোহন, প্রদীপ কুমার রায়, আসাদুর রহমান দুলু, শাহরিয়ার আরিফ ওপেল, এ্যাড. তবিবর রহমান তবি, মুনসুর রহমান মুন্নু, এ্যাড. সাইফুল ইসলাম, শাহ্্ আখতারুজ্জামান ডিউক, এ্যাড. জাকির হোসেন নবাব, সুলতান মাহমুদ খান রনি, শেরিন আনোয়ার জর্জিস, এ্যাড. শফিকুল আলম আক্কাস, আনিছুজ্জামান মিন্টু, এসএম রুহুল মোমিন তারিক, এবিএম জহুরুল হক বুলবুল, মাশরাফী হিরো, আলরাজী জুয়েল, তপন চক্রবর্তী, আছালত জামান, এ্যাড. আল মাহমুদ, আবুল কাশেম ফকির, মোস্তাফিজুর রহমান ঘুটু, এ্যাড. মন্তেজার রহমান মন্টু, দিলীপ কুমার চৌধুরী, আব্দুস সাত্তার, টি.আই.এম নুরুন্নবী তারিক, এ এইচ আজম খান, আজিজুল হক, রফি নেওয়াজ খান রবিন, আবু সুফিয়ান সফিক, সিরাজুল ইসলাম খান রাজু, আহসান হাবিব আম্বিয়া, মোস্তাফিজার রহমান মোস্তা, তালেবুল ইসলাম তালেব, আব্দুল খালেক দুলু, ফজলুল হক ফজলু, আব্দুল হাই খোকন, আব্দুল মান্নান, মাফুজুল ইসলাম রাজ, অধ্যক্ষ খাদিজা খাতুন শেফালী, ডা. রেজাউল আলম জুয়েল, আলমগীর বাদশা, আব্দুস সালাম, সাজেদুর রহমান সাহিন, আমিনুল ইসলাম ডাবলু, মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, নাইমুর রাজ্জাক তিতাস, নুরুজ্জামান সোহেল প্রমুখ। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন