বগুড়া সংবাদ ডট কম (এস আই সুমন, মহাস্থান প্রতিনিধিঃ উত্তর বগুড়ার ঐতিহাসিক মহাস্থান হাঁটে সবজী মৌসুুমে শত শত মেট্টিকটন শীতকালিন সবজি আমদানি হয়। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় যেতে শুরু করেছে এসব সবজী। প্রতিদিন শত শত পাইকারী সবজি ব্যবসায়ী , সবজির মোকাম হিসাবে খ্যাত মহাস্থান হাটে আসেন।

ব্যবসায়ীরা মহাস্থান হাটের বিভিন্ন আরতের মাধ্যমে সবজি ক্রয় করে। বর্তমানে ৪০/৫০ টি ট্রাকযোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাচ্ছে সবজীগুলো। দেশের চাহিদার পাশাপাশি বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে অনেক সবজী । উত্তর বগুড়ার সবজির জন্য উর্বর ভূমি জন্য বিখ্যাত বগুড়া সদরের গোকুল, লাহিড়ীপাড়া, শেখেরকোলা, শাখারিয়া, নামুজা, শিবগঞ্জের রায়নগর, মোকামতলা, কিচক, দেউলী, সৈদপুর, গাবতলীর, কাগইল, দক্ষিনপাড়া ইউনিয়নে সবজির ব্যপক চাষ হয় বলে জানা গেছে। ভাল দাম পাওয়ার আশায় ঐ সব এলাকার চাষিরা সবজি চাষে ঝুকে পরেছে।

প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ভটভটি, রিক্সা,ভ্যানসহ বিভিন্ন বাহনে করে মহাস্থান হাটে সবজি নিয়ে আসে চাষিরা। বুধবার মহাস্থান হাটে, পাইকারী ফুলকপি বিক্রি হয়েছে ২২ শত টাকা থেকে ২৪ শত টাকা মন দরে। পাতা কপি প্রতিটি ২০ থেকে ২২ টাকা, মুলা প্রতি মন ৬ শত টাকা থেকে ৮ শত টাকা, শশা ও পটল ৭শত টাকা মন, কাকরোল ১৩ শত টাকা মন, পেপে ১ শত ৫০ টাকা মন।

লাহিড়ীপাড়ার কৃষক খলিল জানায়, পেঁপেঁর দাম কম হওয়ায়, পেপে গাছ কেটে আগাম কপি চাষ করে ভাল দাম পাওয়ায়, পেঁপেঁর লোকসান পুষে গেছে। সবজির দাম ভাল হওয়ায়, চাষিদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। কৃষক যেভাবে সবজি চাষে ঝুকে পরেছে, কিছু দিনের মধ্যে আমদানী বেশী হলে দাম অনেকটা কমে যাবে বলে, কয়েক জন চাষি মনে করেন।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন