বগুড়া সংবাদ ডট কমঃ সাংবাদিক দীপঙ্কর চক্রবর্তীর হত্যাকান্ডের ১৪তম বার্ষিকীর স্মরণ সভায় বক্তারা বলেছেন, দীর্ঘদিন পর পুলিশ এই হত্যাকান্ডে জঙ্গি সম্পৃক্ততা দেখিয়ে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলেও তা নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তাঁর পরিবার বা সহকর্মিদের সেসব প্রশ্নের উত্তর না মিললে এই হত্যাকান্ডের সঠিক বিচার হবে না। একারণে প্রকৃত হত্যাকারিদের চিহ্নিত করে তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।
মঙ্গলবার বেলা পৌণে ১২টায় বগুড়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত স্মরণসভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। বগুড়া সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিইউজে) এই স্মরণসভার আয়োজন করে। বিইউজে সভাপতি আমজাদ হোসেন মিন্টুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জে এম রউফের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের(বিএফইউজে) নির্বাহী সদস্য ও বগুড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল আলম নয়ন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আরিফ রেহমান, সিনিয়র সাংবাদিক সমুদ্র হক, চপল সাহা, শফিউল আযম কমল, মাসুদুর রহমান রানা, মোহন আখন্দ, এসএম কাওসার, কমলেশ মোহন্ত সানু, সবুর আল মামুন, আসাফ উদ দৌলা ডিউক, প্রদীপ মোহন্ত, মামুন উর রশিদ, গৌরব চন্দ্র দাস, এম সারওয়ার খান, ফরহাদ শাহী, মেহেরুল সুজন, ইলিয়াস হোসেন প্রমুখ।
বক্তার বলেন, দীপঙ্কর চক্রবর্তী ছিলেন একজন নির্বিবাদী মানুষ। অথচ তাঁকেই ২০০৪ সালের এই দিনে নিজ কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করে। ওই হত্যাকান্ডের পর তৎকালীন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ থেকে শুরু করে পুলিশ প্রশাসন হত্যাকারিদের চিহ্নিত করার দাবি করলেও সেটি ছিলো প্রহসন। বরং এই ঘটনাকে ভিন্নখাকে প্রবাহিত করার চেষ্টা চালানো হয়। সেইসঙ্গে নষ্ট করা হয় হত্যার আলামত। এরপর কয়েক দফা আদালতে চ’ড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করে পুলিশসহ তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। সর্বশেষ গত বছর পুলিশ এই হত্যাকান্ডে জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সম্পৃক্ততার বিষয়টি সামনে এনে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। তারা বলেন, যারাই এই হত্যাকান্ডের সঙ্গে যুক্ত হোক, তাদের আইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচার নিষ্পত্তি করতে হবে। সভা থেকে শীঘ্রই সাংবাদিক দীপঙ্ক চক্রবর্তীর নামে স্মৃতি পুরস্কার প্রদানের ঘোষনা দেওয়া হয়। (খবর বিজ্ঞপ্তির)

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন