বগুড়া সংবাদ ডটকম (শেরপুর প্রতিনিধি কামাল আহমেদ) : শরৎকাল এসেছে আকাশে মেঘের ভেলা ভাসছে প্রকৃতির রং সবুজের সমারোহে সাদা হয়েকা শফুল দুলছে। আগামী ৮ অক্টোবর মহালয়ার মধ্য দিয়ে বয়ে আনবে হিন্দু ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব দেবী দূর্গার আগমনীবার্তা। মহালয়ার সময় ঘোর অমাবস্যা থাকে। মহাতেজের আলোয় সেই অমাবস্যা দূর হয়। প্রতিষ্ঠা পায় শুভ শক্তি। দূর্গা পূজার দিন গণনা এ মহালয়ার দিন থেকেই শুরু হয়।শাস্ত্র মতে প্রতি বছরই মা কোনোনা কোনো বাহনে চড়ে আসেন।

পঞ্জিকা অনুযায়ী এ বছর দেবী আসছেন ”ঘোড়ায়’ চড়ে আর যাবেন দোলায় চড়ে। হিন্দু ধর্মালম্বীদের এই ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গাউৎসব শুরু হবে আগামী ১৫ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে। আর এই উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রতিমা শিল্পীরা কল্পনায় দেবী দূর্গার অনিন্দ্য সুন্দর রূপ দিতে রাতভর চলছে প্রতিমা তৈরীর কাজ। নিখুত হাতের কারুকার্য দিয়ে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তৈরী করছে প্রতিমা। পূজার দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই যেন । শুধু শেরপুরের শিল্পীরাই নয় বিভিন্ন এলাকা থেকেও শিল্পীরা এসে বিভিন্ন মন্দিরে প্রতিমা তৈরীর কাজ করছে। তুলির আচরে মূর্ত হয়ে উঠছে দেবীর রূপ। এখন দম ফেলার সময় নেই মৃৎশিল্পীদের।

এ উৎসবকে ঘিরে দেবী দূর্গা ও অসুরের রণযুদ্ধের ঘটনাগুলোর সংক্ষিপ্ত পৌরাণিক কাহিনী মূর্তির মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলছে তারা। সবকিছু মিলিয়ে আমেজ পূর্ন্য বগুড়ার শেরপুর উপজেলা। শেরপুরে কলেজ রোডে সরেজমিনে গিয়ে মৃতশিল্পী চন্দন সুত্রধরের সঙ্গে কথা বললে তিনি এ প্রতিনিধি কে জানান, তিনি ১৪ বছর বয়স থেকে এ পেশায় জরিত, প্রতিমার অর্ডার পেয়েছেন ৮ টি, যা ১৫,০০০/- টাকা থেকে ৩৫,০০০/- টাকাপর্যন্ত ।

তিনি আরও জানান, দিনদিন তাদের লাভের হার কমছে কারন সবকিছুর দাম বৃদ্ধি পেলেও তুলনামূলকভাবে তাদের কাজের মূল্য বৃদ্ধি পায়নি। যে খর ছিল আগে ৩ টাকা আটি এখন সেই খর হয়েছে ৭ টাকা আটি, বাঁশের দামও একই অবস্থা। সব মিলিয়ে চলে যাচ্ছে দিন, আর সময়ও বেশি নেই তাই রাত জেগে কাজ করছি। শেরপুর উপজেলা পূজাউদযাপন কমিটির সাধারণ স ম্পাদক সংগ্রাম কুন্ড ুজানান, এ বছর শেরপুর উপজেলায় মোট ৮২ টি পূজামন্ডপে দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন